, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাকৃবির পদচিহ্নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, সভাপতি আতিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক নিরব পীরগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন। কালকিনিতে চকলেটের প্রলোভনে শিশুকে যৌন নিপীড়নচেষ্টার অভিযোগ: উল্টো অগ্নিসংযোগ ও জমিসংক্রান্ত মামলায় কাবু গরিব পরিবার। কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: এমপি জাহান্দার আলী জাহান। টেকনাফে কালবের নির্বাচনে ছয়জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইসলামপুরে সার ব্যবসায়ী হত্যা: বিচার ও ফাঁসির দাবি, গ্রেপ্তার ২ এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার নিখোঁজ তিন রোহিঙ্গা কিশোর স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক চৌদ্দগ্রাম দত্তসার রহমানীয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

শেরপুর পৈত্রিক সম্পত্তির দাবিতে ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানে ৮ ভাই-বোনের তালা

শেরপুর পৈত্রিক সম্পত্তির দাবিতে ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানে ৮ ভাই-বোনের তালা

১০৮

শেরপুরে স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স বুলবুলি জুয়েলার্স এর ওরা এত স্বত্বাধিকারী ইয়াকুব আলীর ব্যবসা এবং স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশ সূত্রে পারিবারিক ভাবে সমাধান না হওয়ায় বুলবুলি জুয়েলার্স এর বর্তমান ভোগ দখলকারী আব্দুল জলিলের বাড়ি এবং দোকানের তালা ঝুলিয়ে দেয় ৮ ভাই বোনের মধ্যে বঞ্চিত ৭ ভাই বোনের পক্ষে চার ভাই-বোন।

ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ আগস্ট রোববার সকালে শহরের নয়ানিবাজার এলাকায়। পরে বিষয়টি নিয়ে উল্লিখিত ভাই-বোনদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীরদের নিয়ে বিচারের দায়িত্ব নেয়া হলে তালা খুলে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে বুলবুলি জুয়েলার্স এর প্রকৃত স্বত্বাধিকারী মরহুম ইয়াকুব আলীর ছেলে আব্দুল মালেক জানায়, আমার মা এবং বাবা মারা যাবার পর আমার বড় ভাই আব্দুল জলিল বাবার নামে দোকানটি আমাদের অগোচরে তার নামে লিখে নেয়। এছাড়া আমাদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি ও বাড়িঘর সবকিছু তার নামে লিখে নেওয়ায় আমরা কোন ওয়ারিশ পাইনি।

আমাদের ৮ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় ভাই আব্দুল জলিল। বাকি সাত ভাই বোনের মধ্যে শারমিন সুলতানা বুলবুলি কয়েক বছর আগে মারা যায়। এক বোন অসুস্থ এবং আরেক ভাই চাকরির জন্য ঢাকায় অবস্থান করায় বাকি ৪ ভাই বোন আজ এসে তার বাসা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালা ঝুলিয়ে দেই আমাদের ওয়ারিশের দাবিতে। ইতিপূর্বে ওয়ারিশের সম্পত্তির হিসেব নিয়ে কয়েক দফা পারিবারিকভাবে বসা হলেও সে বসেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা তার প্রতিষ্ঠান তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি। তবে থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের অনুরোধে এবং আগামী শুক্রবার বিকেলে শেরপুর সদর থানায় এ বিষয়ে সালিশ বৈঠক নিশ্চিত করলে আমরা তালা খুলে দেই।

এ বিষয়ে বুলবুলি জুয়েলার্স এর বর্তমান স্বত্বাধিকারী আব্দুল জলিল বলেন, আমার বাকি ভাই বোনদের ওয়ারিশের সম্পত্তি এখনো রয়েছে। শুধু শুধু তারা আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য ভাইবোনেরা এ কাজ করেছে।

এ বিষয়ে আব্দুল জলিল এর চাচা এবং মরহুম ইয়াকুব আলীর ছোট ভাই ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার ভাইয়ের ছেলে মেয়েদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। ভাইয়ের বড় ছেলে আব্দুল জলিল এর কাছে অন্যান্য ভাই-বোনেরা দীর্ঘদিন থেকে ওয়ারিশের জমি-জমার হিসাব চাইলে সে দিচ্ছিল না। সে কারণে আজকের এই ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসা শেরপুর সদর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, ভাইবোনদের সম্পত্তির ওয়ারিশ নিয়ে ঘটনাটির বিষয়ে আগামী শুক্রবার সদর থানায় সালিশ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আশা করি ওই সালিশ বৈঠকে বিরোধ মিটে যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

বাকৃবির পদচিহ্নের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা, সভাপতি আতিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক নিরব

শেরপুর পৈত্রিক সম্পত্তির দাবিতে ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানে ৮ ভাই-বোনের তালা

আপডেট সময় ০৬:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
১০৮

শেরপুরে স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স বুলবুলি জুয়েলার্স এর ওরা এত স্বত্বাধিকারী ইয়াকুব আলীর ব্যবসা এবং স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ওয়ারিশ সূত্রে পারিবারিক ভাবে সমাধান না হওয়ায় বুলবুলি জুয়েলার্স এর বর্তমান ভোগ দখলকারী আব্দুল জলিলের বাড়ি এবং দোকানের তালা ঝুলিয়ে দেয় ৮ ভাই বোনের মধ্যে বঞ্চিত ৭ ভাই বোনের পক্ষে চার ভাই-বোন।

ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ আগস্ট রোববার সকালে শহরের নয়ানিবাজার এলাকায়। পরে বিষয়টি নিয়ে উল্লিখিত ভাই-বোনদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীরদের নিয়ে বিচারের দায়িত্ব নেয়া হলে তালা খুলে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে বুলবুলি জুয়েলার্স এর প্রকৃত স্বত্বাধিকারী মরহুম ইয়াকুব আলীর ছেলে আব্দুল মালেক জানায়, আমার মা এবং বাবা মারা যাবার পর আমার বড় ভাই আব্দুল জলিল বাবার নামে দোকানটি আমাদের অগোচরে তার নামে লিখে নেয়। এছাড়া আমাদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি ও বাড়িঘর সবকিছু তার নামে লিখে নেওয়ায় আমরা কোন ওয়ারিশ পাইনি।

আমাদের ৮ ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় ভাই আব্দুল জলিল। বাকি সাত ভাই বোনের মধ্যে শারমিন সুলতানা বুলবুলি কয়েক বছর আগে মারা যায়। এক বোন অসুস্থ এবং আরেক ভাই চাকরির জন্য ঢাকায় অবস্থান করায় বাকি ৪ ভাই বোন আজ এসে তার বাসা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালা ঝুলিয়ে দেই আমাদের ওয়ারিশের দাবিতে। ইতিপূর্বে ওয়ারিশের সম্পত্তির হিসেব নিয়ে কয়েক দফা পারিবারিকভাবে বসা হলেও সে বসেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা তার প্রতিষ্ঠান তালা ঝুলিয়ে দিয়েছি। তবে থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের অনুরোধে এবং আগামী শুক্রবার বিকেলে শেরপুর সদর থানায় এ বিষয়ে সালিশ বৈঠক নিশ্চিত করলে আমরা তালা খুলে দেই।

এ বিষয়ে বুলবুলি জুয়েলার্স এর বর্তমান স্বত্বাধিকারী আব্দুল জলিল বলেন, আমার বাকি ভাই বোনদের ওয়ারিশের সম্পত্তি এখনো রয়েছে। শুধু শুধু তারা আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য ভাইবোনেরা এ কাজ করেছে।

এ বিষয়ে আব্দুল জলিল এর চাচা এবং মরহুম ইয়াকুব আলীর ছোট ভাই ইসমাইল হোসেন বলেন, আমার ভাইয়ের ছেলে মেয়েদের মধ্যে জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। ভাইয়ের বড় ছেলে আব্দুল জলিল এর কাছে অন্যান্য ভাই-বোনেরা দীর্ঘদিন থেকে ওয়ারিশের জমি-জমার হিসাব চাইলে সে দিচ্ছিল না। সে কারণে আজকের এই ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে আসা শেরপুর সদর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, ভাইবোনদের সম্পত্তির ওয়ারিশ নিয়ে ঘটনাটির বিষয়ে আগামী শুক্রবার সদর থানায় সালিশ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আশা করি ওই সালিশ বৈঠকে বিরোধ মিটে যাবে।