, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পিরোজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও অবজারভেশন ওয়ার্ডের কার্যক্রম শুরু রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হলো ‘জেলাপ্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ ঐতিহাসিক স্মারকের পুনঃস্থাপন ও উন্মোচন রা-ম-দা হাতে সড়ক অবরোধ—মানসিক স্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন পিরোজপুর নেছারাবাদে ৯ পিস ই-য়া-বাসহ মা-দক কারবারি রাজু গ্রে-ফ-তার গোপালগঞ্জে নি-ষি-দ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, আইনের আওতাই ৬জন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় শূন্য ঠাকূরগাঁও-১ আসন, উপ-নির্বাচনে প্রস্তুতি ​নাটোর গুরুদাসপুরে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রশাসনের মতবিনিময় সভা দৈনিক লাল সবুজের দেশ পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হলেন আবুল কালাম মল্লিক টুঙ্গিপাড়ায় সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

ড. আবুল মঞ্জুর খান হলেন শহীদ শামসুল হক হলের নতুন প্রভোস্ট

ড. আবুল মঞ্জুর খান হলেন শহীদ শামসুল হক হলের নতুন প্রভোস্ট

১১

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শহীদ শামসুল হক হলের নতুন প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে হলটির প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আওয়াল।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নতুন প্রভোস্টকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, বাকৃবি সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম, এবং বাকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমানসহ হলের শিক্ষার্থীরা।

দায়িত্ব গ্রহণের পর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান বলেন, ছাত্রাবস্থায় এই হলে আমি ছয় বছর ছিলাম। এই হলের প্রতিটি ইট, প্রতিটি করিডোর, প্রতিটি কোণ আমার খুব পরিচিত। তাই প্রভোস্ট হিসেবে এই হলের দায়িত্ব নেওয়া আমার কাছে একই সঙ্গে গর্বের ও আবেগের।

হলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হলের উন্নয়নে যে সাজেশনগুলো আসছে, সেগুলো বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। হলকে আরও ছাত্রবান্ধব, সুন্দর ও বাসযোগ্য করতে যা যা করা দরকার, তা করার চেষ্টা থাকবে। তবে এ কাজ একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, এর আগে আমি ফজলুল হক হল ও শহীদ নাজমুল আহসান হলে হাউজ টিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বিভিন্ন সময়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত দীর্ঘ ৩১ বছরের পথচলা আমার জীবনের একটি গৌরবময় অধ্যায়। আমি বিশ্বাস করি, পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক মনোভাবের মাধ্যমে আমরা হলকে আরও সুন্দর ও ছাত্রবান্ধব করে গড়ে তুলতে পারব।

বিদায়ী প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলের যে দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করেছিল, আমি আমার সাধ্যমতো তা পরিচালনা করার চেষ্টা করেছি। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসন থেকে একজন সুযোগ্য উত্তরসূরি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমি মনে করি, প্রশাসন একদম সঠিক ব্যক্তিকেই বেছে নিয়েছে।

নতুন প্রভোস্টের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা, সততা ও প্রজ্ঞা দিয়ে এই হলকে আগামী দুই বছরে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমার যেসব অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, তিনি সেগুলো সম্পন্ন করবেনই। পাশাপাশি হলকে আরও অনেক নতুন কিছু উপহার দেবেন বলে আমি আশাবাদী।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

পিরোজপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও অবজারভেশন ওয়ার্ডের কার্যক্রম শুরু

ড. আবুল মঞ্জুর খান হলেন শহীদ শামসুল হক হলের নতুন প্রভোস্ট

আপডেট সময় ১০:০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
১১

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শহীদ শামসুল হক হলের নতুন প্রভোস্ট হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে হলটির প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আওয়াল।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দায়িত্ব হস্তান্তর ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নতুন প্রভোস্টকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন অধ্যাপক আব্দুল আওয়াল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, বাকৃবি সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ কে এম আদহাম, এবং বাকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমানসহ হলের শিক্ষার্থীরা।

দায়িত্ব গ্রহণের পর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান বলেন, ছাত্রাবস্থায় এই হলে আমি ছয় বছর ছিলাম। এই হলের প্রতিটি ইট, প্রতিটি করিডোর, প্রতিটি কোণ আমার খুব পরিচিত। তাই প্রভোস্ট হিসেবে এই হলের দায়িত্ব নেওয়া আমার কাছে একই সঙ্গে গর্বের ও আবেগের।

হলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হলের উন্নয়নে যে সাজেশনগুলো আসছে, সেগুলো বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। হলকে আরও ছাত্রবান্ধব, সুন্দর ও বাসযোগ্য করতে যা যা করা দরকার, তা করার চেষ্টা থাকবে। তবে এ কাজ একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, এর আগে আমি ফজলুল হক হল ও শহীদ নাজমুল আহসান হলে হাউজ টিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বিভিন্ন সময়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে আজ হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত দীর্ঘ ৩১ বছরের পথচলা আমার জীবনের একটি গৌরবময় অধ্যায়। আমি বিশ্বাস করি, পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক মনোভাবের মাধ্যমে আমরা হলকে আরও সুন্দর ও ছাত্রবান্ধব করে গড়ে তুলতে পারব।

বিদায়ী প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হলের যে দায়িত্ব আমার ওপর অর্পণ করেছিল, আমি আমার সাধ্যমতো তা পরিচালনা করার চেষ্টা করেছি। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসন থেকে একজন সুযোগ্য উত্তরসূরি নির্ধারণ করা হয়েছে। আমি মনে করি, প্রশাসন একদম সঠিক ব্যক্তিকেই বেছে নিয়েছে।

নতুন প্রভোস্টের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা, সততা ও প্রজ্ঞা দিয়ে এই হলকে আগামী দুই বছরে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমার যেসব অসমাপ্ত কাজ রয়েছে, তিনি সেগুলো সম্পন্ন করবেনই। পাশাপাশি হলকে আরও অনেক নতুন কিছু উপহার দেবেন বলে আমি আশাবাদী।