, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদকমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মুক্তার হোসেন মোল্লা মঠবাড়িয়ার মিরুখালী ইউনিয়নের ৯টি পূজা মণ্ডপে যুবদল নেতা এ আর মামুন খানের আর্থিক সহায়তা প্রদান তিন জেলার ৬৩ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড পঞ্চগড়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবার পেল ঢেউটিন ও ঘর মেরামতের টাকা স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চৌদ্দগ্রাম বন্ধন কাফেলার উদ্যোগে নিহত রং মেস্তরির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান। শিবচরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট উত্তরণে সরকারের উদ্যোগ প্রচার এবং লিফলেট বিতরণ “আল আরবে দুই বাংলাদেশী খুন: আসল অপরাধী সৌদি স্বৈরতন্ত্র বললেন আল্লামা ইমাম হায়াত” মিরুখালীতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ নাজমুল ইসলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌথ অভিযানে ১৭ জনের কারাদণ্ড

গোয়ালন্দে ফারুক শেখ হ-ত্যা: ১২ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, আটক ৩

গোয়ালন্দে ফারুক শেখ হ-ত্যা: ১২ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, আটক ৩

১১৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ফারুক শেখ (৪৮) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ধারালো দা এবং রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট দুপুর ১টা থেকে বেলা সাড়ে ২টার মধ্যে গোয়ালন্দ পৌরসভার জামতলা এলাকার নিজ শয়নকক্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফারুক শেখকে হত্যা করা হয়। তিনি খালেক শেখের ছেলে।

খবর পেয়ে গোয়ালন্দঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন বস্তুগত ও জৈবিক আলামত সংগ্রহ করে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল খালেক শেখ বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা নং-২১, তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬; দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়।

পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), রাজবাড়ী শাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও গোয়ালন্দঘাট থানা-পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক দল গঠন করে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে নিহতের ছোট ভাই বারেক শেখ (৪৪), রুবেল শেখ (৩০) ও **আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (২৬)**কে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বারেক শেখ পারিবারিক সম্পত্তি ও পারিবারিক বিরোধের বিষয়কে হত্যার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী রুবেল ও আলমকে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় দৌলতদিয়া রেলস্টেশনে বসে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। পরদিন দুপুরে রুবেল ও আলম বারেকের বাড়িতে গেলে তাদের দুটি ধারালো দা দেওয়া হয়। এরপর তারা ঘরে ঘুমিয়ে থাকা ফারুক শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর ব্যবহৃত দুটি দা টয়লেটের পাশে ময়লার স্তূপের আড়ালে লুকিয়ে রাখা হয় বলে পুলিশ জানায়। পরে গ্রেপ্তার হওয়া রুবেল ও আলমকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে দুটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামিদের বাড়ি থেকে রক্তের দাগযুক্ত জিন্সপ্যান্ট ও টি-শার্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার তিন আসামিই আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

সূত্র: গোয়ালন্দঘাট থানা-পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মাদকমুক্ত ও মডেল ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান মুক্তার হোসেন মোল্লা

গোয়ালন্দে ফারুক শেখ হ-ত্যা: ১২ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, আটক ৩

আপডেট সময় ০৬:৩৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
১১৩

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ফারুক শেখ (৪৮) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ধারালো দা এবং রক্তমাখা পোশাক উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট দুপুর ১টা থেকে বেলা সাড়ে ২টার মধ্যে গোয়ালন্দ পৌরসভার জামতলা এলাকার নিজ শয়নকক্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফারুক শেখকে হত্যা করা হয়। তিনি খালেক শেখের ছেলে।

খবর পেয়ে গোয়ালন্দঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন বস্তুগত ও জৈবিক আলামত সংগ্রহ করে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল খালেক শেখ বাদী হয়ে গোয়ালন্দঘাট থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলা নং-২১, তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬; দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়।

পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), রাজবাড়ী শাহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও গোয়ালন্দঘাট থানা-পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক দল গঠন করে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে নিহতের ছোট ভাই বারেক শেখ (৪৪), রুবেল শেখ (৩০) ও **আলমগীর হোসেন ওরফে আলম (২৬)**কে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বারেক শেখ পারিবারিক সম্পত্তি ও পারিবারিক বিরোধের বিষয়কে হত্যার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী রুবেল ও আলমকে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২১ আগস্ট সন্ধ্যায় দৌলতদিয়া রেলস্টেশনে বসে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। পরদিন দুপুরে রুবেল ও আলম বারেকের বাড়িতে গেলে তাদের দুটি ধারালো দা দেওয়া হয়। এরপর তারা ঘরে ঘুমিয়ে থাকা ফারুক শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর ব্যবহৃত দুটি দা টয়লেটের পাশে ময়লার স্তূপের আড়ালে লুকিয়ে রাখা হয় বলে পুলিশ জানায়। পরে গ্রেপ্তার হওয়া রুবেল ও আলমকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে দুটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসামিদের বাড়ি থেকে রক্তের দাগযুক্ত জিন্সপ্যান্ট ও টি-শার্ট উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার তিন আসামিই আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে মামলাটির তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে।

সূত্র: গোয়ালন্দঘাট থানা-পুলিশ।