, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী প্রীতি কাটেনি কনক চন্দ্র রায়ের, এখনো ওয়েবসাইটে হাসিনা-মুজিবের ছবি

১৪

নওগাঁর পোরশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সরকারি ওয়েবসাইটে এখনো শেখ হাসিনার ছবি বহাল রয়েছে।

তিনি গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে একাডেমিক সুপারভাইজার হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘদিন একই স্থানে থাকার ফলে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ ও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও আওয়ামী আমলে প্রতিটি পোগ্রামের ছবিও দিয়ে রেখেছেন ওয়েবসাইটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোরশা একাডেমির সুপারভাইজার কনক চন্দ্র রায় বলেন, “মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমাকে বললে ব্যবস্থা করবো।” শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছিল কি না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, “শিক্ষা অফিসার ব্যবস্থা নিলে নিক, না নিলে না নিবে।”

পোরশা উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা জাকারিয়া বলেন, “মৌখিকভাবে একাধিকবার বলা হয়েছে। অনেকে গুরুত্ব দেয় না।”

তবে এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুল কবীর বলেন, “পুরাতন ছবি উঠিয়ে ফেলার জন্য কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।”

তবে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি ওয়েবসাইট হালনাগাদের জন্য আলাদা নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতে হবে কি না। কারণ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইটে বর্তমান তথ্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয় এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে উপস্থাপন করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। সচেতন মহলের দাবি, সরকারি দপ্তরের জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ করা জরুরি। বিশেষ করে পোরশা উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোর ওয়েবসাইটে থাকা পুরোনো ছবি ও তথ্য সরিয়ে বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম, পদবি, দাপ্তরিক তথ্য এবং সময়োপযোগী কার্যক্রম দ্রুত সংযুক্ত করা উচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

আরডিএ মার্কেট পরিদর্শনে চেয়ারম্যান, আধুনিক মার্কেট গড়ার আশ্বাস

আওয়ামী প্রীতি কাটেনি কনক চন্দ্র রায়ের, এখনো ওয়েবসাইটে হাসিনা-মুজিবের ছবি

আপডেট সময় ১১:৪০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
১৪

নওগাঁর পোরশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সরকারি ওয়েবসাইটে এখনো শেখ হাসিনার ছবি বহাল রয়েছে।

তিনি গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে একাডেমিক সুপারভাইজার হিসেবে যোগদান করেন। দীর্ঘদিন একই স্থানে থাকার ফলে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ ও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও আওয়ামী আমলে প্রতিটি পোগ্রামের ছবিও দিয়ে রেখেছেন ওয়েবসাইটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোরশা একাডেমির সুপারভাইজার কনক চন্দ্র রায় বলেন, “মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমাকে বললে ব্যবস্থা করবো।” শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছিল কি না এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, “শিক্ষা অফিসার ব্যবস্থা নিলে নিক, না নিলে না নিবে।”

পোরশা উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা জাকারিয়া বলেন, “মৌখিকভাবে একাধিকবার বলা হয়েছে। অনেকে গুরুত্ব দেয় না।”

তবে এ বিষয়ে পোরশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুল কবীর বলেন, “পুরাতন ছবি উঠিয়ে ফেলার জন্য কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।”

তবে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি ওয়েবসাইট হালনাগাদের জন্য আলাদা নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকতে হবে কি না। কারণ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সরকারি দপ্তরের ওয়েবসাইটে বর্তমান তথ্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয় এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সঠিকভাবে উপস্থাপন করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। সচেতন মহলের দাবি, সরকারি দপ্তরের জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ করা জরুরি। বিশেষ করে পোরশা উপজেলার সরকারি দপ্তরগুলোর ওয়েবসাইটে থাকা পুরোনো ছবি ও তথ্য সরিয়ে বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম, পদবি, দাপ্তরিক তথ্য এবং সময়োপযোগী কার্যক্রম দ্রুত সংযুক্ত করা উচিত।