, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিএনজির সিটের নিচে ৯ হাজার ইয়াবা, শীলখালীতে চালক আটক লালপুরে বিশেষ অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে ১৫৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ 3. বিজিবির অ এমপি এস এম জিলানির চাচাতো ভাই টুঙ্গিপাড়া কৃষক দলের সভাপতি আর নেই জ্ঞানচর্চা ও সমৃদ্ধ সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে শাহজাদপুর প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন টুঙ্গিপাড়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জনের বেশি শেরপুরে ‘ফুড ফর প্লাস্টিক’ উদ্যোগ নিয়ে অংশীজনদের মতবিনিময় সভা শেরপুরে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত লালপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ শ্রেণিকক্ষে ঘুমানোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষিকাকে শোকজ

স্ত্রীর নামে গুদাম ভাড়া ঠাকূরগাঁও নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মা-ম-লা

স্ত্রীর নামে গুদাম ভাড়া ঠাকূরগাঁও নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মা-ম-লা

৭৭

ঠাকূরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিসের উচ্চমান সহকারী মহসীন আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। স্ত্রীর নামে নেওয়া ইউনিয়ন গুদামের ভাড়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তা নবায়ন না করে ভাড়া পরিশোধ। বকেয়া বিল আদায়ে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নথি অনুযায়ী, মহসীন আলীর স্ত্রী ফারজানা ইসলামের নামে ২০২২ সালের ১৬ জুন থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তিন বছরের জন্য একটি গুদাম ভাড়া নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেটি নবায়ন না করে জুলাই-আগস্ট ২০২৫ মাসের ভাড়া বাবদ প্রায় ৮১ হাজার ৪৯৮ টাকা পরিশোধ করা হয়।

নথিতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর যোগদান করা এক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে ওই গুদামের বকেয়া ভাড়া দাবি করে বিল উপস্থাপন করা হলে তিনি গুদাম ভাড়ার চুক্তিনামা দেখতে চান। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এরপর বকেয়া ভাড়া পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা, হুমকি-ধামকি ও মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগের নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হলেও তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। পরে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনের নথিতে বলা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিভাগীয় মামলায় অভিযুক্তকে লিখিত জবাব দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি জেলায় ইভিএম সংরক্ষণের জন্য গোডাউন ভাড়া নেওয়া হয়৷ উচ্চমান সহকারীর স্ত্রী চাকরি জীবি হওয়া সত্বেও, বিধি বহির্ভূত ভাবে কাগজে কলমে ঠিকাদার বানানো হয়। যা সরকারি চাকরি বিধিমালা বহির্ভূত। এছাড়াও আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও এনআইডি সংশোধনে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

সিএনজির সিটের নিচে ৯ হাজার ইয়াবা, শীলখালীতে চালক আটক

স্ত্রীর নামে গুদাম ভাড়া ঠাকূরগাঁও নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মা-ম-লা

আপডেট সময় ০৭:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭৭

ঠাকূরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিসের উচ্চমান সহকারী মহসীন আলীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। স্ত্রীর নামে নেওয়া ইউনিয়ন গুদামের ভাড়া চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তা নবায়ন না করে ভাড়া পরিশোধ। বকেয়া বিল আদায়ে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নথি অনুযায়ী, মহসীন আলীর স্ত্রী ফারজানা ইসলামের নামে ২০২২ সালের ১৬ জুন থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তিন বছরের জন্য একটি গুদাম ভাড়া নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সেটি নবায়ন না করে জুলাই-আগস্ট ২০২৫ মাসের ভাড়া বাবদ প্রায় ৮১ হাজার ৪৯৮ টাকা পরিশোধ করা হয়।

নথিতে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর যোগদান করা এক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে ওই গুদামের বকেয়া ভাড়া দাবি করে বিল উপস্থাপন করা হলে তিনি গুদাম ভাড়ার চুক্তিনামা দেখতে চান। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এরপর বকেয়া ভাড়া পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা, হুমকি-ধামকি ও মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগের নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হলেও তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক বিবেচিত হয়নি। পরে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নির্বাচন কমিশনের নথিতে বলা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিভাগীয় মামলায় অভিযুক্তকে লিখিত জবাব দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নেওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি জেলায় ইভিএম সংরক্ষণের জন্য গোডাউন ভাড়া নেওয়া হয়৷ উচ্চমান সহকারীর স্ত্রী চাকরি জীবি হওয়া সত্বেও, বিধি বহির্ভূত ভাবে কাগজে কলমে ঠিকাদার বানানো হয়। যা সরকারি চাকরি বিধিমালা বহির্ভূত। এছাড়াও আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও এনআইডি সংশোধনে অর্থ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।