, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সিএনজির সিটের নিচে ৯ হাজার ইয়াবা, শীলখালীতে চালক আটক লালপুরে বিশেষ অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্তে ১৫৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ 3. বিজিবির অ এমপি এস এম জিলানির চাচাতো ভাই টুঙ্গিপাড়া কৃষক দলের সভাপতি আর নেই জ্ঞানচর্চা ও সমৃদ্ধ সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে শাহজাদপুর প্রেসক্লাবে লাইব্রেরি উদ্বোধন টুঙ্গিপাড়ায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, একদিনে হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জনের বেশি শেরপুরে ‘ফুড ফর প্লাস্টিক’ উদ্যোগ নিয়ে অংশীজনদের মতবিনিময় সভা শেরপুরে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত লালপুরে পৌরসভা কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ শ্রেণিকক্ষে ঘুমানোর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষিকাকে শোকজ

ভাঙ্গুড়ায় গুমানি নদীর শাখা নদীতে জমজমাট নৌকা বাইচ, দর্শনার্থীদের ঢল

ভাঙ্গুড়ায় গুমানি নদীর শাখা নদীতে জমজমাট নৌকা বাইচ, দর্শনার্থীদের ঢল

১২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বড় বিশাকোল এলাকায় গুমানি নদীর শাখা নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৬। ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে নদীর দুই পাড়ে নামে মানুষের ঢল। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়।

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও আয়োজন করা হয় এই নৌকা বাইচের। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা নদীর তীরে জড়ো হতে থাকেন। নৌকার ছুটে চলা, মাঝিদের বৈঠার ছন্দ এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে নদীর দুই পাড়।

২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বিশার সভাপতিত্বে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাফর ইকবাল হিরোক।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজক ও অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রিপন। তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

প্রতিযোগিতায় ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন মুহূর্ত সংবাদ সংগ্রহ করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মো. কামরুজ্জামান রিপনের বাবা মো. জহির উদ্দিন আহমেদ তিনবার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দুইবার নিমাইছড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং একবার অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ নদীর তীরে ভিড় করেন। বৈঠার ছন্দে নৌকা ছুটে চলার দৃশ্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

স্থানীয়রা বলেন, নৌকা বাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। প্রতিবছর এমন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

সিএনজির সিটের নিচে ৯ হাজার ইয়াবা, শীলখালীতে চালক আটক

ভাঙ্গুড়ায় গুমানি নদীর শাখা নদীতে জমজমাট নৌকা বাইচ, দর্শনার্থীদের ঢল

আপডেট সময় ০৮:০৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের বড় বিশাকোল এলাকায় গুমানি নদীর শাখা নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা-২০২৬। ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে নদীর দুই পাড়ে নামে মানুষের ঢল। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় উৎসবের মিলনমেলায়।

প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও আয়োজন করা হয় এই নৌকা বাইচের। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা নদীর তীরে জড়ো হতে থাকেন। নৌকার ছুটে চলা, মাঝিদের বৈঠার ছন্দ এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে নদীর দুই পাড়।

২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিন বিশার সভাপতিত্বে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাফর ইকবাল হিরোক।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজক ও অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রিপন। তিনি ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

প্রতিযোগিতায় ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন মুহূর্ত সংবাদ সংগ্রহ করেন।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মো. কামরুজ্জামান রিপনের বাবা মো. জহির উদ্দিন আহমেদ তিনবার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দুইবার নিমাইছড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং একবার অষ্টমনিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।

নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ নদীর তীরে ভিড় করেন। বৈঠার ছন্দে নৌকা ছুটে চলার দৃশ্য উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

স্থানীয়রা বলেন, নৌকা বাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির অন্যতম অংশ। প্রতিবছর এমন আয়োজনের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।