, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চাঁদের পাশে ‘সন্ধ্যাতারা’, মুগ্ধ আকাশপ্রেমীরা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর খাল থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার ভাঙ্গুড়ায় জামায়াতের মেয়র প্রার্থীর গণসংযোগ মাগুরা শ্রীপুরে মহিলা এমপি’র মতবিনিময় ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ শিক্ষকতা জীবনের ইতি, ভালোবাসায় সিক্ত ঝর্ণা ইয়াসমিনের বিদায় কাউনিয়ায় ২৯ পিস ই-য়াবা-সহ যুবক গ্রে-প্তা-র ফুলবাড়ীতে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির ঘোষণা গোপালগঞ্জে তিন দিন নিখোঁজের পর পাটখেত থেকে বৃদ্ধার মর-দেহ উ-দ্ধার টুঙ্গিপাড়ায় দুই খাবার হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ১৪ হাজার টাকা

বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদ ও আইএসডিআরএফের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদ ও আইএসডিআরএফের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

২৮

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদ ও ইনিশিয়েটিভস ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (আইএসডিআরএফ) যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বৃক্ষে বৃক্ষে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় আম, পেয়ারা, মালটাসহ অর্ধশতাধিক ফলজ ও শোভাবর্ধক গাছের চারা রোপণ করা হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় ভেটেরিনারি অনুষদ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, আইএসডিআরএফের সহসভাপতি মো. আনিসুর রহমান এবং ঐ অনুষদের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আইএসডিআরএফের সহসভাপতি মো. আনিসুর রহমান বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা বাংলাদেশে যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, তার প্রত্যেকটিই সবুজে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ । কিন্তু সেখানে কেবল কাঠের গাছের আধিক্যই বেশি, ফলজ গাছের সংখ্যা একেবারেই কম । ফলজ গাছ কমে যাওয়ার কারণে আমাদের চারপাশের জীবন্ত পশুপাখিগুলো দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠান এই লক্ষ্যেই একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়েছে । আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেন ফলজ বৃক্ষ রোপণ করা যায়, যাতে করে পশুপাখিরা ফল খেতে পারে, আমাদের শিক্ষার্থীরা খেতে পারে এবং একই সাথে পরিবেশেরও দারুণ উপকার হয়।

ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, আমি আশা করব, আজকে যে গাছগুলো লাগানো হয়েছে, সবাই মিলে সেগুলোর যত্ন ও পরিচর্যা করব। ভবিষ্যতে এসব গাছে ফলন হলে আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাই উপকৃত হবেন। বর্তমানে এখানে থাকা পুরোনো গাছগুলোর জায়গা একসময় নতুন গাছগুলো পূরণ করবে। তাই আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছগুলোর সর্বোচ্চ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই আজকের এ কর্মসূচি সত্যিকার অর্থে সফল ও অর্থবহ হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

চাঁদের পাশে ‘সন্ধ্যাতারা’, মুগ্ধ আকাশপ্রেমীরা

বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদ ও আইএসডিআরএফের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আপডেট সময় ০৭:৫৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
২৮

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদ ও ইনিশিয়েটিভস ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (আইএসডিআরএফ) যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘বৃক্ষে বৃক্ষে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় আম, পেয়ারা, মালটাসহ অর্ধশতাধিক ফলজ ও শোভাবর্ধক গাছের চারা রোপণ করা হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় ভেটেরিনারি অনুষদ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, আইএসডিআরএফের সহসভাপতি মো. আনিসুর রহমান এবং ঐ অনুষদের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আইএসডিআরএফের সহসভাপতি মো. আনিসুর রহমান বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা বাংলাদেশে যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, তার প্রত্যেকটিই সবুজে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ । কিন্তু সেখানে কেবল কাঠের গাছের আধিক্যই বেশি, ফলজ গাছের সংখ্যা একেবারেই কম । ফলজ গাছ কমে যাওয়ার কারণে আমাদের চারপাশের জীবন্ত পশুপাখিগুলো দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রতিষ্ঠান এই লক্ষ্যেই একটি ক্ষুদ্র উদ্যোগ নিয়েছে । আমরা চেষ্টা করছি বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেন ফলজ বৃক্ষ রোপণ করা যায়, যাতে করে পশুপাখিরা ফল খেতে পারে, আমাদের শিক্ষার্থীরা খেতে পারে এবং একই সাথে পরিবেশেরও দারুণ উপকার হয়।

ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান বলেন, আমি আশা করব, আজকে যে গাছগুলো লাগানো হয়েছে, সবাই মিলে সেগুলোর যত্ন ও পরিচর্যা করব। ভবিষ্যতে এসব গাছে ফলন হলে আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাই উপকৃত হবেন। বর্তমানে এখানে থাকা পুরোনো গাছগুলোর জায়গা একসময় নতুন গাছগুলো পূরণ করবে। তাই আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছগুলোর সর্বোচ্চ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই আজকের এ কর্মসূচি সত্যিকার অর্থে সফল ও অর্থবহ হবে।