, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পথে জিম্বাবুয়ের জঙ্গলে প্রাণ গেল রাণীশংকৈলের নুর আলমের স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভারতে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের সাত মাস পর সুস্থতার পথে বাকৃবির সাংবাদিক জীম এমপি জিলানীর সঙ্গে দুর্গামন্দির পরিদর্শনে বিএনপি নেতা অলিউর রহমান ও যুবদল নেতা শেহাব মোল্লা উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার লালপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ৪৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজার বিসর্জন মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদের ভিড়, উদ্দেশ্য দেবী দুর্গাকে নজর দেখা চৌদ্দগ্রামের পোটকরায় উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হল সনতান ধর্মলম্বীদের দুর্গাপূজা। চট্টগ্রামের হালিশহর গলিচিপা ও দক্ষিণ কাট্টলীতে অশ্রুসজল চোখে দেবীকে বিদায় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানাতে টুঙ্গিপাড়া বিভিন্ন মন্দিরে এমপি এস এম জিলানী

বাকৃবিতে জেন্ডার সচেতনতা বিষয়ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‎

বাকৃবিতে জেন্ডার সচেতনতা বিষয়ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‎

৬০

‎শিক্ষার্থীদের মধ্যে জেন্ডার সমতা, লিঙ্গভিত্তিক সচেতনতা ও নেতৃত্ব তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইন একাডেমিয়া ( ম্যাজেন্ডা) প্রকল্পের আওতায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
‎
‎আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের সভা কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৯জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
‎
‎তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিতর্ক, স্টোরি টেলিং ও ফটোগ্রাফি মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে ম্যাজেন্ডা প্রকল্পের মোট ৩৫জন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন। প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে ৩জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন সিদরাতুল মুনতাহা,আফসানা খান,মোছাঃ নুসরাত জাহান নুসা। স্টোরি টেলিং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন মোঃ শোয়েব আক্তার, মাহবুবুন্নাহার শারা, আনিকা আরয়াম তানিয়া এবং ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন, শ্রেয়াস পাল, আবিদ ইশতিয়া,গোলাম কিবরিয়া।
‎
‎
‎অনুষ্ঠানে কৃষি অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব আর. এ. জুইসের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম। এসময় প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ড. রিফাত আরা জান্নাত তমা, সহযোগী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান কবীরসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবৃন্দ।
‎
‎অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এটি মূলত শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক একটি প্রোগ্রাম। এই ‘স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ কেবল একটি নির্দিষ্ট ফ্যাকাল্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিচালিত।
‎
‎প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন, জেন্ডার বিষয়টির নানা মাত্রা রয়েছে। উন্নয়ন কিংবা গৃহস্থালি কাজের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা কেমন হবে, মূল বিষয়টি সেটাই। আমাদের প্রতিষ্ঠানে নারী সহকর্মীদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তারা ফলাফলেও বেশ ভালো করছেন।

‎এখন নারী সহকর্মীদের সংখ্যা যখন বাড়ছে, তখন পুরুষ সহকর্মীদের সমপরিমাণ সময় ও সেবা তাদের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত। কাজের জায়গায় সেই ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি, যেন সুযোগ দেওয়ার কারণে কারো মনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি না হয়। বিশেষ করে আমাদের সমাজে বিদ্যমান ভুল ধারণাগুলো ঠিক করতে এবং নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্য সবার চেয়ে শতগুণ বেশি শ্রম ও প্রচেষ্টা দিতে হবে।
‎
‎তিনি আরও বলেন, এই চর্চা ও জ্ঞানগুলো যেন নথিবদ্ধ হয় এবং তোমরাও নিজেদের প্রেজেন্টেশনগুলো ভাগাভাগি করে নাও। ভবিষ্যতেও যে পেশাতেই যুক্ত হও না কেন, শিক্ষকতা, ব্যবসা কিংবা সরকারে, এই অনুপ্রেরণা ধরে রাখলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটি পরিপক্ক হবে এবং চলার পথে নতুন মাত্রা যোগ করবে।‎
‎

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পথে জিম্বাবুয়ের জঙ্গলে প্রাণ গেল রাণীশংকৈলের নুর আলমের

বাকৃবিতে জেন্ডার সচেতনতা বিষয়ক প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত ‎

আপডেট সময় ০২:১৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬০

‎শিক্ষার্থীদের মধ্যে জেন্ডার সমতা, লিঙ্গভিত্তিক সচেতনতা ও নেতৃত্ব তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইন একাডেমিয়া ( ম্যাজেন্ডা) প্রকল্পের আওতায় এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
‎
‎আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসের সভা কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৯জন বিজয়ীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
‎
‎তিনদিন ব্যাপী আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিতর্ক, স্টোরি টেলিং ও ফটোগ্রাফি মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে ম্যাজেন্ডা প্রকল্পের মোট ৩৫জন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন। প্রতিটি ক্যাটাগরি থেকে ৩জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন সিদরাতুল মুনতাহা,আফসানা খান,মোছাঃ নুসরাত জাহান নুসা। স্টোরি টেলিং প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন মোঃ শোয়েব আক্তার, মাহবুবুন্নাহার শারা, আনিকা আরয়াম তানিয়া এবং ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন, শ্রেয়াস পাল, আবিদ ইশতিয়া,গোলাম কিবরিয়া।
‎
‎
‎অনুষ্ঠানে কৃষি অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব আর. এ. জুইসের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম। এসময় প্রকল্পের প্রধান গবেষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং সমন্বয়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ড. রিফাত আরা জান্নাত তমা, সহযোগী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান কবীরসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবৃন্দ।
‎
‎অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এটি মূলত শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক একটি প্রোগ্রাম। এই ‘স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রাম’ কেবল একটি নির্দিষ্ট ফ্যাকাল্টির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফ্যাকাল্টির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিচালিত।
‎
‎প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন, জেন্ডার বিষয়টির নানা মাত্রা রয়েছে। উন্নয়ন কিংবা গৃহস্থালি কাজের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা কেমন হবে, মূল বিষয়টি সেটাই। আমাদের প্রতিষ্ঠানে নারী সহকর্মীদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তারা ফলাফলেও বেশ ভালো করছেন।

‎এখন নারী সহকর্মীদের সংখ্যা যখন বাড়ছে, তখন পুরুষ সহকর্মীদের সমপরিমাণ সময় ও সেবা তাদের কাছ থেকেও প্রত্যাশিত। কাজের জায়গায় সেই ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি, যেন সুযোগ দেওয়ার কারণে কারো মনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি না হয়। বিশেষ করে আমাদের সমাজে বিদ্যমান ভুল ধারণাগুলো ঠিক করতে এবং নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্য সবার চেয়ে শতগুণ বেশি শ্রম ও প্রচেষ্টা দিতে হবে।
‎
‎তিনি আরও বলেন, এই চর্চা ও জ্ঞানগুলো যেন নথিবদ্ধ হয় এবং তোমরাও নিজেদের প্রেজেন্টেশনগুলো ভাগাভাগি করে নাও। ভবিষ্যতেও যে পেশাতেই যুক্ত হও না কেন, শিক্ষকতা, ব্যবসা কিংবা সরকারে, এই অনুপ্রেরণা ধরে রাখলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটি পরিপক্ক হবে এবং চলার পথে নতুন মাত্রা যোগ করবে।‎
‎