, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মুক্তি-পণের দাবিতে অ-প-হ-রণ, টেকনাফে যুবক উ-দ্ধা-র রজবাড়ী পাংশায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটিতে প্রকৌশলী মোঃ আতিকুল ইসলাম মিরুখালী ৫নং ওয়ার্ডে পরিবর্তনের হাওয়া: তরুণ প্রজন্মের আস্থার প্রতীক রাফিউল ইসলাম রাজুর নির্বাচনী অঙ্গীকার নাগেশ্বরীতে বিশেষ অভিযানে ৪ মা-দ-ক বিক্রেতা গ্রে-প্তা-র, ১ কেজি গাঁ-জা জ-ব্দ ১০ টাকায় সিম বিক্রির আড়ালে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ, পঞ্চগড়ে ৩ জন আ-ট-ক মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ থেকে চতুর্থ উপাচার্য, অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারকে সংবর্ধনা বরিশালে ময়লার স্তূপে দুই নবজাতক শিশুর ম-র-দে-হ উ-দ্ধা-র বড়লেখায় মিথ্যা মা-ম-লার অভিযোগে সোনাহর আলীর সংবাদ সম্মেলন ৪২ কোটি টাকার ই-য়া-বা-র চালান জ-ব্দ, আ-টক ২ প্রেমের টানে গোপালগঞ্জে হিন্দু যুবকের বাড়িতে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুণী

দৌলতদিয়ায় নদীভাঙন ঠেকাতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ প্রকল্প

  • Avatar photo রাসেল মোল্লা
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 32
৪২

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় নদীভাঙন প্রতিরোধ ও নদীতীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ প্রকল্পের কাজ চলছে। নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় নদী শাসনের মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, জরুরি নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের উজান, ৩ নম্বর ফেরিঘাটের উজানে মসজিদসংলগ্ন এলাকা, ৪ নম্বর ফেরিঘাট এবং ৭ নম্বর ফেরিঘাটের কিছুটা ভাটিতে—মোট চারটি প্যাকেজে জিও ব্যাগ ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

প্রতিটি প্যাকেজে প্রায় ৬ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৯০০টি জিও ব্যাগ ফেলার কথা রয়েছে। প্রতিটি প্যাকেজের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটার। চারটি প্যাকেজের প্রতিটির জন্য ৩০ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দৌলতদিয়া দীর্ঘদিন ধরেই নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীতীর রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নেওয়ায় ভাঙনপ্রবণ এলাকার মানুষের মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে নদীতীরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থানীয় স্থাপনা রক্ষায় এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

তবে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও জিও ব্যাগ ফেলার সংখ্যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছু প্রশ্নও রয়েছে। তাদের দাবি, নির্ধারিত পরিমাণ জিও ব্যাগ যথাযথ স্থানে ফেলা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীতে জিও ব্যাগ ফেলার পরিমাণ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাজমিনুর রহমান বলেন, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। নদীভাঙন রোধে পরিকল্পনা অনুযায়ী জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে এবং প্রকল্পের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা বলেন, প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দৌলতদিয়ার নদীভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মুক্তি-পণের দাবিতে অ-প-হ-রণ, টেকনাফে যুবক উ-দ্ধা-র

দৌলতদিয়ায় নদীভাঙন ঠেকাতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ প্রকল্প

আপডেট সময় ০৯:৫৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
৪২

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় নদীভাঙন প্রতিরোধ ও নদীতীরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার জিও ব্যাগ প্রকল্পের কাজ চলছে। নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় নদী শাসনের মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, জরুরি নদী শাসন প্রকল্পের আওতায় দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের উজান, ৩ নম্বর ফেরিঘাটের উজানে মসজিদসংলগ্ন এলাকা, ৪ নম্বর ফেরিঘাট এবং ৭ নম্বর ফেরিঘাটের কিছুটা ভাটিতে—মোট চারটি প্যাকেজে জিও ব্যাগ ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

প্রতিটি প্যাকেজে প্রায় ৬ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৯০০টি জিও ব্যাগ ফেলার কথা রয়েছে। প্রতিটি প্যাকেজের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটার। চারটি প্যাকেজের প্রতিটির জন্য ৩০ লাখ টাকা করে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দৌলতদিয়া দীর্ঘদিন ধরেই নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। নদীতীর রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেলার উদ্যোগ নেওয়ায় ভাঙনপ্রবণ এলাকার মানুষের মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে নদীতীরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও স্থানীয় স্থাপনা রক্ষায় এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন তারা।

তবে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও জিও ব্যাগ ফেলার সংখ্যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কিছু প্রশ্নও রয়েছে। তাদের দাবি, নির্ধারিত পরিমাণ জিও ব্যাগ যথাযথ স্থানে ফেলা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নদীতে জিও ব্যাগ ফেলার পরিমাণ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তাজমিনুর রহমান বলেন, প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। নদীভাঙন রোধে পরিকল্পনা অনুযায়ী জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে এবং প্রকল্পের কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল হুদা বলেন, প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দৌলতদিয়ার নদীভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে নদীতীর সংরক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।