, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী, সনদ পেলেন ১০৮ শিক্ষার্থী মিয়ানমারের পাচার কালে বিপুল পরিমান সিমেন্ট জব্দ করেন কোস্ট গার্ড মাগুরা শ্রীপুরে কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত নিয়ামতপুর থানার মাদক বিরোধী অভিযান ৫৫০ লিটার চোলাইমদ সহ তিন জন গ্রেফতার চাউলের পুষ্টি মেশানো নিয়ে অনিয়ম ; চিলমারীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচি ভেস্তে যেতে বসেছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৬ এপি বি এন এর হাতে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর সান্ধ্য আকাশে চাঁদ ও উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের অপূর্ব সংযতি সন্ধ্যার আকাশে বিরল দৃশ্য অবলোকন। জামালপুরে ৭ দফা দাবীতে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ জামালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরপাড়ের ১১ গাছ বিক্রির অভিযোগ

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরপাড়ের ১১ গাছ বিক্রির অভিযোগ

৪৬

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নে সরকারি খাস পুকুরপাড়ের মূল্যবান ১১টি গাছ অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করেছে ভূমি অফিস।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তারাইল বড় মাঠ সংলগ্ন সরকারি খাস পুকুরপাড়ে। এ ঘটনায় একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যার বিরুদ্ধে গাছ বিক্রির অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব গাছ ২৫ হাজার টাকায় রিপন শেখের কাছে বিক্রি করা হয়।

বুধবার সকালে রিপন শেখ কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা গাছ কাটায় বাধা দিয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতোমধ্যে কাটা সাতটি গাছ উদ্ধার করেন। অবশিষ্ট চারটি গাছ তখনও কাটা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সোহেল মোল্যা বলেন, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছেন। তাঁর দাবি, পুকুরপাড় পরিষ্কার করে সেখানে নতুন করে গাছ লাগানোর কথা রয়েছে। তবে তিনি গাছ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রিপন শেখ বড় গাছ কেটে ফেলেছেন।

অন্যদিকে গাছের ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, সোহেল মোল্যার কাছ থেকেই তিনি ১১টি গাছ ২৫ হাজার টাকায় কিনেছেন। শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটার সময় সাতটি গাছ কাটার পর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এসে কাজ বন্ধ করে দেন।

ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, সরকারি জায়গার গাছ অনুমতি ছাড়া কাটার সুযোগ নেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া জানান, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে অবহিত করেছেন। কাটা গাছগুলো জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী, সনদ পেলেন ১০৮ শিক্ষার্থী

কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরপাড়ের ১১ গাছ বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৪৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
৪৬

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ফুকরা ইউনিয়নে সরকারি খাস পুকুরপাড়ের মূল্যবান ১১টি গাছ অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করেছে ভূমি অফিস।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তারাইল বড় মাঠ সংলগ্ন সরকারি খাস পুকুরপাড়ে। এ ঘটনায় একই গ্রামের মৃত জিন্নাত আলী মোল্যার ছেলে সোহেল মোল্যার বিরুদ্ধে গাছ বিক্রির অভিযোগ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই পুকুরপাড়ে দেবদারু, উড়িয়াম, কড়াই ও লাটিমসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১১টি গাছ ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব গাছ ২৫ হাজার টাকায় রিপন শেখের কাছে বিক্রি করা হয়।

বুধবার সকালে রিপন শেখ কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা গাছ কাটায় বাধা দিয়ে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতোমধ্যে কাটা সাতটি গাছ উদ্ধার করেন। অবশিষ্ট চারটি গাছ তখনও কাটা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সোহেল মোল্যা বলেন, তিনি পুকুরটি লিজ নিয়েছেন। তাঁর দাবি, পুকুরপাড় পরিষ্কার করে সেখানে নতুন করে গাছ লাগানোর কথা রয়েছে। তবে তিনি গাছ বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রিপন শেখ বড় গাছ কেটে ফেলেছেন।

অন্যদিকে গাছের ক্রেতা রিপন শেখ বলেন, সোহেল মোল্যার কাছ থেকেই তিনি ১১টি গাছ ২৫ হাজার টাকায় কিনেছেন। শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটার সময় সাতটি গাছ কাটার পর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এসে কাজ বন্ধ করে দেন।

ফুকরা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, সরকারি জায়গার গাছ অনুমতি ছাড়া কাটার সুযোগ নেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাতটি কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীন মিয়া জানান, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাঁকে অবহিত করেছেন। কাটা গাছগুলো জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।