গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির প্রবীণ সদস্য, সিনিয়র অ্যাডভোকেট এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) গোলাম মেহেদী খান আর নেই। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের হীরাবাড়ি সড়কে নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর। দীর্ঘ কর্মজীবনে গোপালগঞ্জের আইন অঙ্গনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জেলা আইনজীবী সমিতির সক্রিয় সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিচারপ্রার্থীদের আইনি সহায়তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে গোলাম মেহেদী খান স্ত্রী, এক ছেলে ও তিন মেয়েসহ নাতি-নাতনি এবং অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর গোপালগঞ্জের বিচারাঙ্গন ও আইনজীবী মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়। জেলা জজশিপ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেসি এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা প্রবীণ এই আইনজীবীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বর্তমান পিপি অ্যাডভোকেট কাজী আবুল খায়ের, সাধারণ সম্পাদক ও সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম, সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট চৌধুরী খসরুল আলম এবং একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম জুলকদর রহমান।
এছাড়া গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি ও সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. তৌফিকুল ইসলামসহ জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য সদস্যরাও তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়ে পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা গেছে, গোলাম মেহেদী খানের নামাজে জানাজা বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার স্থান ও সময় পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হবে।
প্রবীণ এই আইনজীবীর মৃত্যুতে গোপালগঞ্জের আইন অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয় বলে সহকর্মীরা উল্লেখ করেছেন।

























