, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় গাঁ/জা সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারা/দণ্ড পিরোজপুর জেলা প্রশাসনে নতুন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে জনাব জহুরুল ইসলামের যোগদান নেশা করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই—ঈশ্বরগঞ্জে ৩ জনের কারা/দণ্ড কাউখালীতে নৌ পুলিশের ওপর হা/ম/লা, গ্রেফ/তার ১ লালপুরে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হু/মকি: নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি ধামইরহাটে নারী হ/ত্যার রহস্য উদঘাটন, ১২ ঘণ্টায় গ্রে/প্তার ২ মাগুরা শ্রীপুর গ্রীন গার্ডেন ফুড পার্ক এর শুভ উদ্বোধন ৫নং বিলমারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান চিলমারীতে ভুক্তভোগীকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ, জনমনে ক্ষোভ ছাত্রীদের সঙ্গে আপত্তিকর আলাপের অভিযোগে লাকসাম সরকারি কলেজের শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

টুঙ্গিপাড়ায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার অ/বৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

  • Avatar photo মোঃ ছাইম খাঁন
  • আপডেট সময় ০৩:২৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • 5

টুঙ্গিপাড়ায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার অ/বৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। অভিযানে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৪৫টি অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা জালগুলো ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বুধবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন খাল ও বিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়ের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় বলেন, বর্তমানে দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুম চলছে। এ সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে খাল-বিল ও জলাশয়ে নির্বিচারে মাছ শিকার করছে। এসব জালের কারণে মাছের প্রজনন ও স্বাভাবিক বংশবিস্তার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে।

তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন জলাশয়ে অভিযান চালিয়ে ৪৫টি নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

মৎস্য বিভাগ জানায়, দেশীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা এবং জলজ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হলে দেশীয় মাছের প্রজনন এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় গাঁ/জা সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারা/দণ্ড

টুঙ্গিপাড়ায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার অ/বৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ

আপডেট সময় ০৩:২৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। অভিযানে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৪৫টি অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা জালগুলো ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বুধবার (১৮ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন খাল ও বিলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। টুঙ্গিপাড়া উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়ের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সহযোগিতা করেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড় বলেন, বর্তমানে দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুম চলছে। এ সময় কিছু অসাধু ব্যক্তি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে খাল-বিল ও জলাশয়ে নির্বিচারে মাছ শিকার করছে। এসব জালের কারণে মাছের প্রজনন ও স্বাভাবিক বংশবিস্তার ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জলজ জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে।

তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন জলাশয়ে অভিযান চালিয়ে ৪৫টি নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী সেগুলো ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

মৎস্য বিভাগ জানায়, দেশীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা এবং জলজ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খাল-বিল ও অন্যান্য জলাশয়ে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি জোরদার করা হলে দেশীয় মাছের প্রজনন এবং জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।