ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে থেকে উদ্ধার জামালপুরে স্বাক্ষী দিতে না আসায় নারী চিকিৎসককে কারাদণ্ড প্রদান দীঘিনালায় ব্রিজ না থাকায় শতাধিক শিক্ষার্থীর পারাপারের ভোগান্তি বেনাপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ উদ্বোধন রুয়েটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক দিনাজপুরে ৪ হাজার ২৫০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ আওয়ামী লীগ নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল নাগরপুরে পাট ক্ষেত থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

মুন্সীগঞ্জে আলু গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক

  • থিম বিক্রয়
  • আপডেট সময় ০৫:৩৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

ছবিঃ থিম বিক্রয়

৭২

মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রধান অর্থকরি ফসল আলু। দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সীগঞ্জ। বর্তমানে কৃষকরা আবাদি জমিতে আগাছা পরিষ্কার, পানি সেচসহ আলু গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সার ও বীজের বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকায় কম খরচে প্রান্তিক কৃষক এবার লাভের আশা করছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার ৬৫৫ হেক্টর। আলুর আবাদ হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে।

এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদরে ৯ হাজার ৫৮১ হেক্টর, টংগীবাড়ীতে ৯ হাজার ৭০ হেক্টর, শ্রীনগরে ১ হাজার ৯৪৪ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৮ হাজার ৯৫৮ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩ হাজার ১০৯ হেক্টর এবং গজারিয়ায় ১ হাজার ৯৯৮ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।

এদিকে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ ৪৫ হাজার ১৯৫ টন। জেলায় গত মৌসুমে ৩৪ হাজার ৭৫৮ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। ফলন হয়েছিল প্রায় ১২ লাখ টন।

সদর উপজেলার আমঘাটার ক…ষক মোঃ আজমীর হোসেন বাসসকে জানান , এ বছর সাড়ে পাঁচ কানি জমিতে আলু চাষ করেছি । আগামী ১৫/২০ দিন জমিতে পানি জমে থাকার মতো বৃষ্টি না হলে ফলন আশানুরুপ হবে। গত বছরের ক্ষতি পুশিয়ে যাবে।এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো রয়েছে। আলু গাছে কোন রোগ বালাই নাই।

সদর উপজেলার কাঠাদিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে বীজ ও সারের মূল্য কম থাকায় আবাদের খরচ কম হয়েছে। ফলন ভালো হলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসসকে জানান, আবহাওয়া অনুক’লে রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

তিনি জানান, মুন্সীগঞ্জ জেলার ঐতিহ্য আলুর আবাদকে লাভজনক ও টেকসই করার লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে সারের মূল্য সাড়ে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। খামারি অ্যাপস এর মাধমে জেলার ২০৬টি ব্লকে আলু চাষে সুষম সার ব্যবহার করে ব্লকভিত্তিক প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। এ বছর ৬ হাজার ৭৮৩ হেক্টর জমিতে রপ্তানী উপযোগী আলুর আবাদ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কালাই অটিস্টিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শামীম আরা

মুন্সীগঞ্জে আলু গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক

আপডেট সময় ০৫:৩৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৭২

মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রধান অর্থকরি ফসল আলু। দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ আলু উৎপাদনকারী জেলা মুন্সীগঞ্জ। বর্তমানে কৃষকরা আবাদি জমিতে আগাছা পরিষ্কার, পানি সেচসহ আলু গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। সার ও বীজের বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকায় কম খরচে প্রান্তিক কৃষক এবার লাভের আশা করছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে জেলায় আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৪ হাজার ৬৫৫ হেক্টর। আলুর আবাদ হয়েছে ৩৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে।

এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদরে ৯ হাজার ৫৮১ হেক্টর, টংগীবাড়ীতে ৯ হাজার ৭০ হেক্টর, শ্রীনগরে ১ হাজার ৯৪৪ হেক্টর, সিরাজদিখানে ৮ হাজার ৯৫৮ হেক্টর, লৌহজংয়ে ৩ হাজার ১০৯ হেক্টর এবং গজারিয়ায় ১ হাজার ৯৯৮ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।

এদিকে ফলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ ৪৫ হাজার ১৯৫ টন। জেলায় গত মৌসুমে ৩৪ হাজার ৭৫৮ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। ফলন হয়েছিল প্রায় ১২ লাখ টন।

সদর উপজেলার আমঘাটার ক…ষক মোঃ আজমীর হোসেন বাসসকে জানান , এ বছর সাড়ে পাঁচ কানি জমিতে আলু চাষ করেছি । আগামী ১৫/২০ দিন জমিতে পানি জমে থাকার মতো বৃষ্টি না হলে ফলন আশানুরুপ হবে। গত বছরের ক্ষতি পুশিয়ে যাবে।এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো রয়েছে। আলু গাছে কোন রোগ বালাই নাই।

সদর উপজেলার কাঠাদিয়া গ্রামের জিয়াউর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে বীজ ও সারের মূল্য কম থাকায় আবাদের খরচ কম হয়েছে। ফলন ভালো হলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমান বাসসকে জানান, আবহাওয়া অনুক’লে রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

তিনি জানান, মুন্সীগঞ্জ জেলার ঐতিহ্য আলুর আবাদকে লাভজনক ও টেকসই করার লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে সারের মূল্য সাড়ে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল। খামারি অ্যাপস এর মাধমে জেলার ২০৬টি ব্লকে আলু চাষে সুষম সার ব্যবহার করে ব্লকভিত্তিক প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। এ বছর ৬ হাজার ৭৮৩ হেক্টর জমিতে রপ্তানী উপযোগী আলুর আবাদ করা হয়েছে।