বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। আপিল বিভাগের বিচারপতি ও সার্চ কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বে ওই বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন।
এর আগে গত ২২ জুন দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে সভাপতি করে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়ে। নিয়ম অনুযায়ী সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত নিয়োগ দিবেন।
দুদক কমিশনার ও চেয়ারম্যান নিয়োগে গত ২২ জুন সার্চ কমিটি গঠন করে। ওই দিনই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সার্চ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হককে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি রাজিক আল জলিল, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
গত ১৫ জুন জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দুদক গঠনে সার্চ কমিটি গঠনের বিষয়ে জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘হয়তো আপনারা মনে করেন সরকার আন্তরিক নয়। কিন্তু সরকার আন্তরিক ছিল। সার্চ কমিটি গঠন করা হবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। সার্চ কমিটির মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের চলমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন গড়ে তোলা হবে।’
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গঠন, চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ, তাদের মেয়াদ এবং অপসারণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো দুর্নীতি দমন কমিশন আইন- ২০০৪ সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে। দুদকের আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী স্বতন্ত্র কমিশন গঠিত হবে, যার নাম হবে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন’।
চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে আইনে ধারা ৬(১) অনুযায়ী, চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। তবে রাষ্ট্রপতি সরাসরি কাউকে নিয়োগ দেন না।
ধারা ৬(২) অনুযায়ী বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেবেন। কমিশনের নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি স্বাধীন বাছাই কমিটির ভূমিকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদের জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করবে।

Reporter Name 












