সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নিজের বিরুদ্ধে ছড়ানো মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সুলতানা রাজিয়া। একই সঙ্গে সম্প্রতি তেঁতুলিয়ায় একটি শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগের প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা রাজিয়া বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী ও কুচক্রী মহল তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া তথ্য প্রচার করছে। তেঁতুলিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার সঙ্গে জড়িত হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার বিষয়টি ফোনে জানতে পেরে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। এ ঘটনায় তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি।
সুলতানা রাজিয়া বলেন, “আমি তখন ঢাকায় ছিলাম। ফোনে ঘটনাটি জানার পর ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলেছি। অথচ পরবর্তীতে একটি কুচক্রী মহল আমাকে জড়িয়ে নানা ধরনের গুজব ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।” তার অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এতে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
তিনি বলেন, কোনো ঘটনার সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ ছড়ানো উচিত নয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুলতানা রাজিয়া আরও বলেন, শিশুটির ঘটনায় প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ছড়ানো মিথ্যা ও মানহানিকর প্রচারণা বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে তেঁতুলিয়া ছাত্রদলের সাবেক নেতা ইমরান খন্দকারসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

























