, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক সাইদুর রহমান আর নেই রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হা-ম-লার অভিযোগে রেল স্টেশনে ভা-ঙ-চু-র, যাত্রীদের মালামাল লুটের অভিযোগ কাউনিয়া উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে পাচারকালে ১৫ বস্তা সার জব্দ বড়লেখায় বোনের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল তরুণে টেকনাফে নাফ নদী থেকে ১৪ হাজার ইয়াবা জব্দ কক্সবাজারে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার বাকৃবিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের সমাপনী, সনদ পেলেন ১০৮ শিক্ষার্থী মিয়ানমারের পাচার কালে বিপুল পরিমান সিমেন্ট জব্দ করেন কোস্ট গার্ড

শিক্ষক নেই, লাঠিসোঁটা হাতে আন্দোলনে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা

৮১

বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষক না আসা ও সঠিকভাবে পাঠদান না করার অভিযোগে লাঠিসোঁটা হাতে আন্দোলনে নেমেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র চরাঞ্চলে অবস্থিত খেওয়ার আলগার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সবগুলো শ্রেণিকক্ষ বন্ধ দেখতে পায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো শিক্ষককে বিদ্যালয়ে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তারা। একপর্যায়ে দলবদ্ধভাবে লাঠিসোঁটা হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তাদের কয়েকজনকে বন্ধ শ্রেণিকক্ষের দরজায় লাথি মারতেও দেখা যায়।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিয়াম, মাজেদুল ও সামসুন্নাহার জানায়, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। ফলে তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকরা যেন নিয়মিত বিদ্যালয়ে এসে পাঠদান করেন, সেই দাবিতেই তারা আন্দোলনে নেমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রমে এমন অনিয়ম চলছে। বিদ্যালয়ে মোট পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও তাদের কেউই নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান প্রধান শিক্ষক ইসরাত জাহান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শান্ত করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাত জাহানের বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। শিক্ষকরা কেন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চরাঞ্চলের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক অনুপস্থিতির অভিযোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লাঠিসোঁটা হাতে আন্দোলনে নামার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন

শিক্ষক নেই, লাঠিসোঁটা হাতে আন্দোলনে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০৯:২৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
৮১

বিদ্যালয়ে নিয়মিত শিক্ষক না আসা ও সঠিকভাবে পাঠদান না করার অভিযোগে লাঠিসোঁটা হাতে আন্দোলনে নেমেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র চরাঞ্চলে অবস্থিত খেওয়ার আলগার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে এসে সবগুলো শ্রেণিকক্ষ বন্ধ দেখতে পায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কোনো শিক্ষককে বিদ্যালয়ে না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে তারা। একপর্যায়ে দলবদ্ধভাবে লাঠিসোঁটা হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তাদের কয়েকজনকে বন্ধ শ্রেণিকক্ষের দরজায় লাথি মারতেও দেখা যায়।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিয়াম, মাজেদুল ও সামসুন্নাহার জানায়, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। ফলে তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। শিক্ষকরা যেন নিয়মিত বিদ্যালয়ে এসে পাঠদান করেন, সেই দাবিতেই তারা আন্দোলনে নেমেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রমে এমন অনিয়ম চলছে। বিদ্যালয়ে মোট পাঁচজন শিক্ষক থাকলেও তাদের কেউই নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান প্রধান শিক্ষক ইসরাত জাহান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদ্যালয়ের পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শান্ত করেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসরাত জাহানের বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার সরকার বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে। শিক্ষকরা কেন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চরাঞ্চলের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক অনুপস্থিতির অভিযোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লাঠিসোঁটা হাতে আন্দোলনে নামার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।