, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বকশীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন শ্রীপুর গোয়ালদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে ই-য়া-বাসহ দুইজন গ্রে-প্তার, মোটরসাইকেল জ-ব্দ ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাকৃবি রোভার স্কাউটের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি মাগুরা শ্রীপুরে স্বাক্ষর জা-ল ও মিথ্যা মা-ম-লার প্রতিবাদে শিমু খাতুনের সংবাদ সম্মেলন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক সাইদুর রহমান আর নেই রাবি শিক্ষার্থীর ওপর হা-ম-লার অভিযোগে রেল স্টেশনে ভা-ঙ-চু-র, যাত্রীদের মালামাল লুটের অভিযোগ কাউনিয়া উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে পাচারকালে ১৫ বস্তা সার জব্দ বড়লেখায় বোনের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল তরুণে

পরীক্ষার্থী ১০জন, পাস শূন্য: মঠবাড়িয়ার দুই মাদ্রাসার করুণ চিত্র

পরীক্ষার্থী ১০জন, পাস শূন্য: মঠবাড়িয়ার দুই মাদ্রাসার করুণ চিত্র

৬১

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার আলগী বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ১০ জন পরীক্ষার্থী এ বছরের দাখিল পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ১ জন।একমাত্র ওই পরীক্ষার্থী ফেল করায় মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার চরম চিত্র শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।

মাদ্রাসাটির সুপার হারুন অর রশীদের বক্তব্য -বালিকা মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার আগেই মেয়েদের বিবাহ হয়ে যায়। এবারও ১০ জন শিক্ষার্থীর ৯ জনেরই বিবাহ হয়ে গেছে।আর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী ইতিহাস পরীক্ষার দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে।এর ফলে এ বছর কেউ পাস করতে পারেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার আরেকটি মাদ্রাসা মধ্য বড় শৌলা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকেও এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন অংশগ্রহণ করে ৪ জনই ফেল করেছে।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসাটির সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা নাসরুল্লাহ জানান,শিক্ষক সংকট ও লেখাপড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের অবহেলার জন্যই রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। ১০ বছর ধরে বাংলা শিক্ষকের পদ শূন্য। আর ইংরেজি শিক্ষকের পদ শূন্য ৩ বছর ধরে।২১ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ১২টি পদই শূন্য।এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের খবর শুনে ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার এ দুই প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন।

তবে স্থানীয়রা জানান,মাদ্রাসার অনিয়ম অসঙ্গতি দেখার কেউ নেই।অভিভাবকহীন যদি কোন প্রতিষ্ঠান থাকে তা হলো মাদ্রাসা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টাকা পেলেই ম্যানেজ।মিনিস্ট্রি অডিটের জন্য শিক্ষক কর্মচারীরা এক মাসের বিল দেওয়ার একটি রেওয়াজ তৈরি হয়ে গেছে। এভাবে বছরের পর বছর একজন শিক্ষার্থী পাস না করলেও তাদের কিছু যায় আসেনা।মাদ্রাসা অধিদপ্তর টাকার জন্য তাকিয়ে থাকে।টাকা দিলেই শোকজের জবাব সন্তোষজনক হয়।এই ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন অনেকেই।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

বকশীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

পরীক্ষার্থী ১০জন, পাস শূন্য: মঠবাড়িয়ার দুই মাদ্রাসার করুণ চিত্র

আপডেট সময় ১০:৪৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
৬১

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার আলগী বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় ১০ জন পরীক্ষার্থী এ বছরের দাখিল পরীক্ষার ফরম ফিলাপ করলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ১ জন।একমাত্র ওই পরীক্ষার্থী ফেল করায় মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার চরম চিত্র শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।

মাদ্রাসাটির সুপার হারুন অর রশীদের বক্তব্য -বালিকা মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার আগেই মেয়েদের বিবাহ হয়ে যায়। এবারও ১০ জন শিক্ষার্থীর ৯ জনেরই বিবাহ হয়ে গেছে।আর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী ইতিহাস পরীক্ষার দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে।এর ফলে এ বছর কেউ পাস করতে পারেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার আরেকটি মাদ্রাসা মধ্য বড় শৌলা ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা। এ মাদ্রাসা থেকেও এ বছরের দাখিল পরীক্ষায় ১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ জন অংশগ্রহণ করে ৪ জনই ফেল করেছে।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসাটির সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা নাসরুল্লাহ জানান,শিক্ষক সংকট ও লেখাপড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের অবহেলার জন্যই রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। ১০ বছর ধরে বাংলা শিক্ষকের পদ শূন্য। আর ইংরেজি শিক্ষকের পদ শূন্য ৩ বছর ধরে।২১ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ১২টি পদই শূন্য।এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের খবর শুনে ১০ জনের মধ্যে ৬ জনই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

মঠবাড়িয়া উপজেলার এ দুই প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস না করার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন।

তবে স্থানীয়রা জানান,মাদ্রাসার অনিয়ম অসঙ্গতি দেখার কেউ নেই।অভিভাবকহীন যদি কোন প্রতিষ্ঠান থাকে তা হলো মাদ্রাসা।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ টাকা পেলেই ম্যানেজ।মিনিস্ট্রি অডিটের জন্য শিক্ষক কর্মচারীরা এক মাসের বিল দেওয়ার একটি রেওয়াজ তৈরি হয়ে গেছে। এভাবে বছরের পর বছর একজন শিক্ষার্থী পাস না করলেও তাদের কিছু যায় আসেনা।মাদ্রাসা অধিদপ্তর টাকার জন্য তাকিয়ে থাকে।টাকা দিলেই শোকজের জবাব সন্তোষজনক হয়।এই ধরনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত বলে মনে করছেন অনেকেই।