, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইউএনও এস,এম অনিক চৌধুরীসহ তিন কর্মকর্তার সঙ্গে টেকনাফ প্রেসক্লাব নেতাদের সাক্ষাৎ কালাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত, ৭ যুবকের মাঝে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল চালু, খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা বড়লেখার দাসের বাজারে বিএনপির মতবিনিময় সভা, প্রধান অতিথি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হকবাজার যুব সমাজের উদ্যোগে হাডুডু খেলার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত তালেবান প্রশাসনের নারী শিক্ষা নিষেধাজ্ঞার পক্ষে জাকির নায়েকঃ বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ টন ইউরিয়া সার উদ্ধার সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন গোপালগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের পথসভা, সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জামায়াত আমিরের

কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল চালু, খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা

কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল চালু, খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা

১৮

শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটের কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় পাইলটিং কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালাই উপজেলার একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া। একই দিনে সারাদেশের আটটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করছে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গাক (GUK)।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. মোর্শেদা আখতার বানু, গাকের (GUK) অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জিয়া উদ্দিন সরদার, একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গীতা রানীসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আনন্দ প্রকাশ করে বলে, ‘আমরা খুব খুশি। এখন স্কুলে এসেও পুষ্টির চাহিদা পূরণে ডিম ও কলা খেতে পারব।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে দেশের আট বিভাগের আটটি বিদ্যালয়ে শিশুদের পছন্দের ভিত্তিতে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ কার্যক্রম এক মাস চলবে। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেলে সরকার কর্মসূচিটি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেবে। তিনি এ কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়মুখী করতে এবং প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার কমাতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

ইউএনও এস,এম অনিক চৌধুরীসহ তিন কর্মকর্তার সঙ্গে টেকনাফ প্রেসক্লাব নেতাদের সাক্ষাৎ

কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল চালু, খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ১২:৩০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
১৮

শিক্ষার্থীদের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ, বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি এবং ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে জয়পুরহাটের কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টায় পাইলটিং কর্মসূচির অংশ হিসেবে কালাই উপজেলার একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া। একই দিনে সারাদেশের আটটি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের খাবার সরবরাহ করছে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গাক (GUK)।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. মোর্শেদা আখতার বানু, গাকের (GUK) অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর জিয়া উদ্দিন সরদার, একডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গীতা রানীসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আনন্দ প্রকাশ করে বলে, ‘আমরা খুব খুশি। এখন স্কুলে এসেও পুষ্টির চাহিদা পূরণে ডিম ও কলা খেতে পারব।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে দেশের আট বিভাগের আটটি বিদ্যালয়ে শিশুদের পছন্দের ভিত্তিতে মিড ডে মিল কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এ কার্যক্রম এক মাস চলবে। এ সময়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেলে সরকার কর্মসূচিটি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেবে। তিনি এ কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যালয়মুখী করতে এবং প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার কমাতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।