, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইউএনও এস,এম অনিক চৌধুরীসহ তিন কর্মকর্তার সঙ্গে টেকনাফ প্রেসক্লাব নেতাদের সাক্ষাৎ কালাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত, ৭ যুবকের মাঝে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার ঋণের চেক বিতরণ কালাইয়ে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় মিড ডে মিল চালু, খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা বড়লেখার দাসের বাজারে বিএনপির মতবিনিময় সভা, প্রধান অতিথি আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ১৩ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হকবাজার যুব সমাজের উদ্যোগে হাডুডু খেলার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত তালেবান প্রশাসনের নারী শিক্ষা নিষেধাজ্ঞার পক্ষে জাকির নায়েকঃ বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ টন ইউরিয়া সার উদ্ধার সারাদেশে দ্বিতীয়! জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ অর্জন করলেন গোপালগঞ্জে ১১ দলীয় জোটের পথসভা, সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জামায়াত আমিরের

হকবাজার যুব সমাজের উদ্যোগে হাডুডু খেলার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

হকবাজার যুব সমাজের উদ্যোগে হাডুডু খেলার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

১৭

​গ্রাম বাংলার প্রাচীন ও লোকপ্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে হা-ডু-ডু অন্যতম, যা পরবর্তীতে আমাদের জাতীয় খেলার মর্যাদা লাভ করেছে। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আবহমানকাল ধরে গ্রামীণ জনপদে আনন্দ ও উদ্দীপনা যুগিয়ে আসছে।

​হা-ডু-ডু খেলায় সাধারণত দুটি দল অংশগ্রহণ করে এবং প্রতিটি দলে নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড় থাকে। এক দলের খেলোয়াড় দম নিয়ে অর্থাৎ “হা-ডু-ডু” বা নির্দিষ্ট শব্দ উচ্চারণ করতে করতে প্রতিপক্ষের কোর্টে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের স্পর্শ করে নিরাপদে নিজের কোর্টে ফিরে আসার চেষ্টা করে।

প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা ওই আক্রমণকারীকে তাদের কোর্টের মধ্যে আটকে রাখার চেষ্টা করে, যার ফলে উভয় দলের মধ্যে শারীরিক শক্তি ও কৌশলের এক দারুণ প্রতিযোগিতা দেখা যায়।

বর্ষাকাল কিংবা শীতের উৎসবে, গ্রামবাংলার বিভিন্ন মেলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যা দেখতে চারপাশ থেকে হাজারো মানুষের ঢল নামে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক গ্রামীণ খেলা হারিয়ে গেলেও হা-ডু-ডু তার স্বকীয়তা বজায় রেখে আজও গ্রাম বাংলার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। এটি আমাদের ঐতিহ্য, ঐক্য এবং শারীরিক সক্ষমতার এক অনন্য প্রতীক।
​এই ঐতিহ্যবাহী খেলাটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দৃঢ় করে তুলতে এবং দেশীয় সংস্কৃতিকে ভালোবেসে বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম সুজা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএস দারুল খয়ের মাদ্রাসা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফুলবাড়ী উপজেলা। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন মাস্টার রফিকুল ইসলাম সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সেফায়েত হোসেন সভাপতি, শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন শাখা। সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইসলাম, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এরশাদুল হক এরশাদ (পিয়াল)।

খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

ইউএনও এস,এম অনিক চৌধুরীসহ তিন কর্মকর্তার সঙ্গে টেকনাফ প্রেসক্লাব নেতাদের সাক্ষাৎ

হকবাজার যুব সমাজের উদ্যোগে হাডুডু খেলার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১২:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
১৭

​গ্রাম বাংলার প্রাচীন ও লোকপ্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে হা-ডু-ডু অন্যতম, যা পরবর্তীতে আমাদের জাতীয় খেলার মর্যাদা লাভ করেছে। এটি কেবল একটি খেলা নয়, বরং বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আবহমানকাল ধরে গ্রামীণ জনপদে আনন্দ ও উদ্দীপনা যুগিয়ে আসছে।

​হা-ডু-ডু খেলায় সাধারণত দুটি দল অংশগ্রহণ করে এবং প্রতিটি দলে নির্দিষ্ট সংখ্যক খেলোয়াড় থাকে। এক দলের খেলোয়াড় দম নিয়ে অর্থাৎ “হা-ডু-ডু” বা নির্দিষ্ট শব্দ উচ্চারণ করতে করতে প্রতিপক্ষের কোর্টে প্রবেশ করে এবং প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের স্পর্শ করে নিরাপদে নিজের কোর্টে ফিরে আসার চেষ্টা করে।

প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা ওই আক্রমণকারীকে তাদের কোর্টের মধ্যে আটকে রাখার চেষ্টা করে, যার ফলে উভয় দলের মধ্যে শারীরিক শক্তি ও কৌশলের এক দারুণ প্রতিযোগিতা দেখা যায়।

বর্ষাকাল কিংবা শীতের উৎসবে, গ্রামবাংলার বিভিন্ন মেলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যা দেখতে চারপাশ থেকে হাজারো মানুষের ঢল নামে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক গ্রামীণ খেলা হারিয়ে গেলেও হা-ডু-ডু তার স্বকীয়তা বজায় রেখে আজও গ্রাম বাংলার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। এটি আমাদের ঐতিহ্য, ঐক্য এবং শারীরিক সক্ষমতার এক অনন্য প্রতীক।
​এই ঐতিহ্যবাহী খেলাটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিকভাবে দৃঢ় করে তুলতে এবং দেশীয় সংস্কৃতিকে ভালোবেসে বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সালাম সুজা প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এসএস দারুল খয়ের মাদ্রাসা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফুলবাড়ী উপজেলা। বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন মাস্টার রফিকুল ইসলাম সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, উপস্থিত ছিলেন মাওলানা সেফায়েত হোসেন সভাপতি, শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন শাখা। সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইসলাম, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এরশাদুল হক এরশাদ (পিয়াল)।

খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্তি হয়।