, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেওয়ানগঞ্জে প্রেমিকাকে নিজ বাড়িতে রেখে উধাও সেনাসদস্য পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত মঠবাড়িয়া গড়তে একসাথে কাজ করছে প্রশাসন ও জনসাধারণ টুঙ্গিপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু টেকনাফকে বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা বাকৃবির শামসুল হক হলে বিসিএস ক্যাডারদের সংবর্ধনা প্রদান ও শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার সেমিনার ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাসিকের ফগার স্প্রে ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, রাসিকের কর্মসূচির উদ্বোধন, বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত টেকনাফে নৈশপ্রহরী হ-ত্যা মা-ম-লার আসামি ৪৮ ঘণ্টায় গ্রে-প্তা-র দৌলতদিয়ায় জমজমাট যাত্রাপালা: ৫০ মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আয়ুব আলী খানের পরিদর্শন চিলমারীতে মা-দ-ক কারবারী নারীকে ৩৬ পিস ই-য়া-বাসহ পুলিশে সোর্পদ

দৌলতদিয়ায় জমজমাট যাত্রাপালা: ৫০ মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আয়ুব আলী খানের পরিদর্শন

  • Avatar photo রাসেল মোল্লা
  • আপডেট সময় ০২:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 13

দৌলতদিয়ায় জমজমাট যাত্রাপালা: ৫০ মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আয়ুব আলী খানের পরিদর্শন

১৯

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আয়নাল মাতবরের পাড়ায় জমে উঠেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত হয় যাত্রাপালার দ্বিতীয় রজনী। এ আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

দ্বিতীয় রজনীতে যাত্রাপালার মঞ্চ পরিদর্শনে উপস্থিত হন দৌলতদিয়ার পরিচিত মুখ ও মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা মো. আয়ুব আলী খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

এ সময় প্রায় ৫০টি মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আয়ুব আলী খান যাত্রাপালা ও মেলা পরিদর্শন করেন। মাঠে উপস্থিত সাধারণ মানুষ, দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। এতে আয়োজক ও দর্শনার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ আরও বেড়ে যায়।

যাত্রাপালা কমিটির পক্ষ থেকে আয়ুব আলী খানকে সম্মাননা জানানো হয়। পাশাপাশি তিনি আয়োজক কমিটিকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

যাত্রাপালা পক্ষ থেকে আলক সরকার বলেন, “এমন সুন্দর একটি গ্রামবাংলার যাত্রাপালার আয়োজন এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে এবং সবার মাঝে আনন্দের অনুভূতি তৈরি করেছে। এ ধরনের আয়োজন আমাদের লোকজ সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

আয়োজকদের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের যাত্রাপালাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আয়োজনে সহযোগিতা ও রাজু হাসান ভাইয়ের ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা।

সব মিলিয়ে আয়নাল মাতবরের পাড়ার যাত্রাপালার দ্বিতীয় রাত পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাগানকে ঘিরে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস যেন ফিরিয়ে এনেছে পুরোনো দিনের সেই সাংস্কৃতিক আবহ।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

দেওয়ানগঞ্জে প্রেমিকাকে নিজ বাড়িতে রেখে উধাও সেনাসদস্য

দৌলতদিয়ায় জমজমাট যাত্রাপালা: ৫০ মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আয়ুব আলী খানের পরিদর্শন

আপডেট সময় ০২:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৯

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আয়নাল মাতবরের পাড়ায় জমে উঠেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে অনুষ্ঠিত হয় যাত্রাপালার দ্বিতীয় রজনী। এ আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

দ্বিতীয় রজনীতে যাত্রাপালার মঞ্চ পরিদর্শনে উপস্থিত হন দৌলতদিয়ার পরিচিত মুখ ও মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা মো. আয়ুব আলী খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দৌলতদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এবং দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

এ সময় প্রায় ৫০টি মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে আয়ুব আলী খান যাত্রাপালা ও মেলা পরিদর্শন করেন। মাঠে উপস্থিত সাধারণ মানুষ, দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে তিনি কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করেন। এতে আয়োজক ও দর্শনার্থীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ আরও বেড়ে যায়।

যাত্রাপালা কমিটির পক্ষ থেকে আয়ুব আলী খানকে সম্মাননা জানানো হয়। পাশাপাশি তিনি আয়োজক কমিটিকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

যাত্রাপালা পক্ষ থেকে আলক সরকার বলেন, “এমন সুন্দর একটি গ্রামবাংলার যাত্রাপালার আয়োজন এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছে এবং সবার মাঝে আনন্দের অনুভূতি তৈরি করেছে। এ ধরনের আয়োজন আমাদের লোকজ সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

আয়োজকদের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের যাত্রাপালাকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আয়োজনে সহযোগিতা ও রাজু হাসান ভাইয়ের ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা।

সব মিলিয়ে আয়নাল মাতবরের পাড়ার যাত্রাপালার দ্বিতীয় রাত পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী যাত্রাগানকে ঘিরে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস যেন ফিরিয়ে এনেছে পুরোনো দিনের সেই সাংস্কৃতিক আবহ।