, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকার অঙ্গীকার হ্নীলার যুবদের প্রবীণদের নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিতের আহ্বানে শেরপুরে র‍্যালি-আলোচনা লালপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফুড সিস্টেমস ইনোভেশন চ্যালেঞ্জে শীর্ষ ছয়ে বাকৃবি ‎ চিলমারীতে মনোয়ারুল ইসলাম মিলুর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছাঁয়া আন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারম প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বাকৃবি,খেলোয়াড়দের ব্লেজার পড়ালেন ভিসি শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক যাত্রা সহজ করতে তৃতীয় ভাষা শেখাবে বিশ্ববিদ্যালয় তথ্য যাচাই ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে টেকনাফে তরুণদের আয়োজন বদলগাছীতে ৯ মাসে ২৫ আত্মহত্যা, ৬ হত্যাকাণ্ড; আইনশৃঙ্খলা সভায় উদ্বেগ! জানুয়ারিতে শুরু, ৬ জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মীর শাহে আলম

পিরোজপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে মা ও শিশুর চিকিৎসা

পিরোজপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে মা ও শিশুর চিকিৎসা

৭২

নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন হলেও কাটেনি আতঙ্ক, দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি স্থানীয়দেরপিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি:পিরোজপুর জেলা সদরে অবস্থিত ‘মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র’টির চিকিৎসা কার্যক্রম এখন চলছে চরম আতঙ্কের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় হাসপাতালটির মূল ভবনটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ছাদের পলেস্তারা ধসে বা দেয়াল ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং সেবা নিতে আসা রোগীরা।

চরম ঝুঁকিতে মা ও শিশুরাসরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং দেয়াল ও ছাদে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার ঘটনাও ঘটে নিত্যদিন। এমন মরণফাঁদের মধ্যেই প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত গর্ভবতী মা, নবজাতক এবং শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ডাক্তার, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ও জাতীয় পত্রিকাসমূহে এই চিত্রটি সচিত্র প্রতিবেদন আকারে উঠে আসে।কর্তৃপক্ষের আশ্বাস ও বক্তব্যএই চরম সংকটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পিরোজপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ একটি ইতিবাচক আশ্বাসের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এখানে নতুন একটি আধুনিক ক্লিনিক বা ভবন নির্মাণের বিষয়টি ইতিমধ্যে সরকারিভাবে অনুমোদন (Approve) হয়েছে। বর্তমানে এটি প্রক্রিয়াদিন অবস্থায় রয়েছে।” সরকারি সব প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুত এর দৃশ্যমান নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি স্থানীয়দেরকর্তৃপক্ষের এই আশ্বাসকে স্বাগত জানালেও স্থানীয় বাসিন্দারা ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, শুধু কাগজে-কলমে অনুমোদন হলেই হবে না, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। যেকোনো সময় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটার আগেই কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চূড়ান্ত দায়িত্ব নিতে হবে। একই সাথে নতুন ভবন নির্মাণের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বিকল্প কোনো নিরাপদ স্থানে চিকিৎসাসেবা সরিয়ে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

দুর্যোগে স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকার অঙ্গীকার হ্নীলার যুবদের

পিরোজপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে মা ও শিশুর চিকিৎসা

আপডেট সময় ০৫:০৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
৭২

নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন হলেও কাটেনি আতঙ্ক, দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি স্থানীয়দেরপিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি:পিরোজপুর জেলা সদরে অবস্থিত ‘মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র’টির চিকিৎসা কার্যক্রম এখন চলছে চরম আতঙ্কের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় হাসপাতালটির মূল ভবনটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। যেকোনো মুহূর্তে ছাদের পলেস্তারা ধসে বা দেয়াল ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা এবং সেবা নিতে আসা রোগীরা।

চরম ঝুঁকিতে মা ও শিশুরাসরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং দেয়াল ও ছাদে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ার ঘটনাও ঘটে নিত্যদিন। এমন মরণফাঁদের মধ্যেই প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত গর্ভবতী মা, নবজাতক এবং শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ডাক্তার, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ও জাতীয় পত্রিকাসমূহে এই চিত্রটি সচিত্র প্রতিবেদন আকারে উঠে আসে।কর্তৃপক্ষের আশ্বাস ও বক্তব্যএই চরম সংকটের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পিরোজপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনার উপ-পরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ একটি ইতিবাচক আশ্বাসের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এখানে নতুন একটি আধুনিক ক্লিনিক বা ভবন নির্মাণের বিষয়টি ইতিমধ্যে সরকারিভাবে অনুমোদন (Approve) হয়েছে। বর্তমানে এটি প্রক্রিয়াদিন অবস্থায় রয়েছে।” সরকারি সব প্রক্রিয়া শেষ হলেই দ্রুত এর দৃশ্যমান নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি স্থানীয়দেরকর্তৃপক্ষের এই আশ্বাসকে স্বাগত জানালেও স্থানীয় বাসিন্দারা ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, শুধু কাগজে-কলমে অনুমোদন হলেই হবে না, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এর বাস্তবায়ন প্রয়োজন। যেকোনো সময় বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় ঘটার আগেই কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চূড়ান্ত দায়িত্ব নিতে হবে। একই সাথে নতুন ভবন নির্মাণের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বিকল্প কোনো নিরাপদ স্থানে চিকিৎসাসেবা সরিয়ে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।