সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়।

বিকেল ৪টার দিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি পঞ্চগড় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরঙ্গী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মানিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন তাপস।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মো. আনোয়ার হোসেন তাপস বলেন, “পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল মাঠে রয়েছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কোনো ষড়যন্ত্রই এ দেশের সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরা সফল হতে দেবে না।”

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিমুল আহসান প্রধান লাতু বলেন, “দেশকে অস্থির করার অপচেষ্টা চালানো ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। রাজপথে থেকেই আমরা সব চক্রান্তের উপযুক্ত জবাব দেব।”

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মনিরুজ্জামান মানিক বলেন, “স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বদা দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ। যেকোনো চক্রান্ত মোকাবিলায় জেলা, থানা ও পৌরসভার নেতাকর্মীরা একযোগে রাজপথে থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।”

বক্তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তাদের বক্তব্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
কর্মসূচিতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, রফিকুল ইসলাম রুবেল, হাসান মাহমুদ বেলাল, আব্দুল আলিম, ফজলার রহমান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান মানিকসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া জেলার পাঁচটি থানা ও তিনটি পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ, সাবেক পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীম হাসান শাওন এবং সদ্য সাবেক সদর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. এখলাছুর রহমান পলাশ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মধ্য দিয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল তাদের ঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। এতে জেলা, থানা ও পৌরসভা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল।