বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে ৬৪তম ও ৬৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববন্ধন ও পারস্পরিক আন্তরিকতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার ( ৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় হল সংলগ্ন মাঠে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। বাকৃবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এ এম শোয়াইব এর পৃষ্ঠপোষকতায় এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর হল ছাত্রদলের সার্বিক সহযোগিতায় এ খেলার আয়োজন করা হয়। পরবর্তীতে রাতে ৬৪ এবং ৬৫তম ব্যাচের অংশগ্রহণে বিরিয়ানি ভোজের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের মতে, খেলাধুলার মাধ্যমে জুনিয়র-সিনিয়র সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি হলের সামগ্রিক পরিবেশে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সংস্কৃতি বিকশিত হবে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রীতি ম্যাচ ও সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও মজবুত হয়।

কৃষি অনুষদের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের (৬৪ব্যাচ) শিক্ষার্থী দিদার মাহমুদ আলী বলেন, আমাদের পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের প্রীতি খেলাধুলার আয়োজন অনেক কার্যকরী। খেলার মাঠে আমরা প্রতিদ্বন্দ্বি হলেও আমাদের মাঝে একটা পারস্পরিক শ্রদ্ধা তৈরি হবে যা আমাদের ভ্রাতৃত্বকে আরও বৃদ্ধি করবে।

২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (৬৫ব্যাচ) শিক্ষার্থী শুভ কুমার সাহা বলেন, খেলার মাঠে সিনিয়র ভাইরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও হার জিতের ঊর্ধ্বে আমরা আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্বকে রাখবো। মাঠে এবং মাঠের বাহিরে আমাদের মাঝে সৃষ্টি হওয়া এই পারস্পরিক মেলবন্ধনই আমাদের ক্যাম্পাস জীবনের অনেক বড় পাওয়া।

এসময় সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক এ এম শোয়াইব বলেন, মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির লক্ষ্যে এই খেলার আয়োজন করা হয়। আমরা সবাই জানি যে খেলার মাঠে গড়ে উঠা সম্পর্ক গুলোই আজীবন টিকে থাকে। তাই আমিও আশা করব নবীন এই শিক্ষার্থীদের মাঝে খেলার মাঠ থেকেই ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠবে এবং এ বন্ধন আজীবন টিকে থাকবে।