গোপালগঞ্জে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৩ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ডুমদিয়া এলাকায় বাস, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন প্রায় ৪০ জন। গুরুতর আহত ১১ জনকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার ডুমদিয়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল একটি মাইক্রোবাস। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পরপরই পেছন থেকে আসা ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়।

পরপর দুটি সংঘর্ষে তিনটি যানবাহনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় মাইক্রোবাস ও বাসের যাত্রীসহ মোটরসাইকেল আরোহীরাও আহত হন। খবর পেয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে। পরে তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত যান সরিয়ে সড়কটি সচল করার উদ্যোগ নেন। প্রায় ৩০ মিনিট পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে একই রাতে সদর উপজেলার চেয়ানিয়াকান্দি এলাকায় মহাসড়কে আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আরও তিনজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। পরে আহতদের গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, পৃথক দুটি দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।