বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির (সিএএসআর) নতুন সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এনিম্যাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন। তিনি সিএএসআরের ৪০তম সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর আগে ৩৯তম সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক মো. সামছুল আলম।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে সিএএসআরের সমন্বয়কের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়। সদ্য সাবেক সমন্বয়ক অধ্যাপক মো. সামছুল আলমের কাছ থেকে নতুন সমন্বয়ক অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন দায়িত্ব বুঝে নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. বাহানুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. শহীদুল হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক মো. সামছুল আলম ভূঁঞা, সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. হাম্মাদুর রহমান, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক মো. রোস্তম আলীসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে সদ্য সাবেক কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক মো. সামছুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রথম এই বাকৃবি থেকে আমরা পিএইচডি ফেলোশিপের ব্যবস্থা করেছি। প্রতিবছর ১০ জন শিক্ষার্থীকে (প্রতিমাসে চল্লিশ হাজার টাকা) ফেলোশিপ দেওয়া হয়। এ পর্যন্ত মোট ৩০ জনকে দেওয়া হয়েছে এবং এরমধ্যে ১ জন নেপালী শিক্ষার্থীও আছেন। আইসিটি সেলের সহযোগিতায় স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভর্তি এবং অন্যান্য কাজে অটোমাইজেশন এবং ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে ফর্ম ফিল আপসহ সকল কাজ এর আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কনভেনশনাল, কোর্স ক্রেডিট সিস্টেম এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে জয়েন্ট পিএইচডি এই তিন ধরনের পিএইচডি ডিগ্রির ব্যবস্থা রয়েছে। এই কার্যালয় প্রায় দুই হাজার স্নাতকোত্তর এবং সাড়ে তিনশত পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে কাজ করছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা নথি এবং ফাইল রাখতে হয়। এছাড়াও একাডেমিক গবেষণা, স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিভিন্ন মাঠ পরিদর্শন বা ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শনের আর্থিক ব্যবস্থাও এই সিএএসআর দেখে। কাজেই এই দায়িত্ব অত্যন্ত যত্নশীলতার সাথে পালন করতে হয়।’
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সমন্বয়ক অধ্যাপক মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘আজ থেকে আমি এই দায়িত্ব শুরু করলাম। আমার প্রথম কাজটিই হবে এই কার্যালয়ের নামটি সিএসএসআর থেকে আরও বিষয়ভিত্তিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার চেষ্টা করা। পাশাপাশি পিএইচডি শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। স্নাতকোত্তর এবং পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সকল বিষয় নিয়ে আমার কাজ করতে হবে। আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’