কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা অফিসের কার্য সহকারী হুমায়ুন এর বিরুদ্ধে অডিও রেকর্ডকে হাত-পা কেটে নেয়ার বাক্য প্রমানক হিসেবে উপস্থাপন করে চিলমারী মডেল থানায় জনৈক সাংবাদ কর্মী একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। উক্ত রেকর্ডে মোতাবেক বিবাদীর নিকট ১ লাখ টাকা দাবীর অভিযোগ আড়াল করে বাদীর পক্ষে আদালতে পুলিশের প্রসিকিউশন দাখিলে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, চিলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কার্য সহকারী হুমায়ুন কবির তার সাথে কথিত সাংবাদিকের ঘটে যাওয়া ঘটনাটি পরিচিতদের সামনে প্রকাশ সহ সাদামাটা ভাবে মন্তব্য করে কথা বলেন। অতিউৎসাহিত হয়ে তার এ মন্তব্য গুলো অডিওতে ধারন করা হয়। অডিওটি বিশ্লেষন করলে দেখা যায় শুরুতেই যাদের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলেছেন তাদের নাম বা কি করেন তা উল্লেখ্য করেননি। তবে অডিওর পরবর্তি মূহুর্ত গুলোতে সাংবাদ কর্মী এস,এম রাফি ও রকির নিকট পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ না করার শর্তে দাবীকৃত ১ লক্ষ টাকার মধ্যে নগদ ৩০ হাজার টাকা প্রদান ও তাদের নিকট প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেছেন। এতে স্বার্থপর একটি চক্রের সাংবাদিকদের ষড়যন্ত্রের বিষয়টিও তিনি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেছেন। অডিওটি আকস্মিক প্রকাশিত হওয়ায় মূল অডিও রেকর্ডের একাংশের উপর নির্ভর করে প্রকৃত কথা গুলো উদ্দেশ্য মূলক ভাবে বাদ দিয়ে গত ১০/০৮/২৬ ইং, সোমবার কথিত ও বিতর্কিত সংবাদকর্মী এস,এম রাফি বাদী হয়ে চিলমারী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন। উক্ত অভিযোগ পত্রটি পুলিশ স্বচ্ছতার সাথে তদন্ত না করে বাদী ও আওয়ামী মদদপুষ্ট একটি সংবাদ চক্রের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে উক্ত অভিযোগ পত্রটি আদালতে প্রসিকিউশন হিসেবে দাখিল করে। এ নিয়ে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে জনমনে

প্রশ্ন উঠেছে ও অস্বচ্ছ তদন্ত নিয়ে চারিদিকে ধোয়াশার সৃষ্টি করেছে।

চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নয়ন কুমার জানান, টাকা দাবীর অভিযোগটি পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিবাদীর বিরুদ্ধে অভিযোগের জিডি করে আদালতে প্রসিকিউশন পাঠানো হয়েছে।