পাবনার ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে সুজন (২৫) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। দোকানটিই ছিল তাঁর পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। একই ঘটনায় পাশের গুদামে থাকা দুই ব্যবসায়ীর প্রায় চার লাখ টাকার পাট পুড়ে গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, রাতে হঠাৎ সুজনের দোকানে আগুন লাগে। দ্রুত তা পাশের গুদামে ছড়িয়ে পড়ে। গুদামে রাখা লালচাঁদ ও খায়রুলের পাটেও আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে মধ্যরাতের পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সুজনের দাবি, আগুনে তাঁর দোকানের প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দোকানটি হারিয়ে পরিবার নিয়ে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। পাট ব্যবসায়ী লালচাঁদ ও খায়রুলের দাবি, তাঁদের গুদামে থাকা প্রায় চার লাখ টাকার পাট পুড়ে গেছে।

ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ইনচার্জ ফারুক হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দোকানে পাট ও গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বি এল বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম আবু যুবাইর হেলাল বলেন, সুজনের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস ছিল দোকানটি। দোকানটি পুনরায় চালু করতে প্রশাসন, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সমাজসেবীদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ইমামা বানিন কে একাধিক বার কল করলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।