বিএনপি চিলমারী ইউনিয়ন শাখার আহব্বায়ক কমিটি গঠনে অনিয়ম প্রতিবাদে ২৫ জুলাই, ২০২৬ ইং তারিখ দুপুর ১২টায় কড়াই বরিশাল বাজারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানা যায়, বিএনপির চিলমারী ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক কমিটি গত ২১/০৭/২০২৬ ইং তারিখে ফেসবুকে প্রকাশ করেছে বিএনপি চিলমারী উপজেলা শাখার আহব্বায়ক কমিটি। গোপনে পতিত আওয়ামী দোসর আলম মিয়া আলোকে আহ্বায়ক ও সুলতান মাহমুদকে সদস্য সচিব করে ১০ সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ গুলোতে দূর্দিনের নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে রাতের অন্ধকারে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পকেট কমিটি গঠনের ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন অভিযোগ করা হয়।
চিলমারী ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দলের মনোনীত সাবেক চিলমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী রিয়াজুল হক যোদ্দার সংবাদ সম্মেলনে জানান, আমরা স্বচ্ছ ভাবে দূর্দিনের ত্যাগী নেতা কর্মীদের মতামতের ভিত্তি ইউনিয়ন বর্ধিত সভা করে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের জন্য অনুরোধ করেছি। কিন্তু তা না করে বিএনপি উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির গুটি কয়েক স্বার্থান্বেসী ব্যাক্তি অনৈতিক ভাবে বিগত আওয়ামী মদদপুষ্ট ও তাদের ভোট চুরি, বিএনপি নেতা কর্মীদের হেনস্তাকারী ব্যক্তি আলম মিয়া আলো, সুলতান মাহমুদ সহ তাদের অনুসারী দূর্বৃত্তদের নিয়ে একটি পকেট কমিটি গঠন করেছে। যাদেরকে ১৭ বছরেও দলীয় কোন সভা সমাবেশ ও আন্দোলনে দেখা যায়নি। ফলে দূর্দিনের ত্যাগী, নির্যাতিত মামলা,হামলার শিকার কর্মীরা বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি ইউনিযন সভাপতি হয়ে বিগত ১৭ বছর উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সকল সভা সমাবেশে অংশগ্রহন করেছেন।
শুধু তাই নয়, এসব দলীয় কর্মকান্ডে কর্মীদেরকে উজ্জীবিত করতে নিজের ঘরসংসার ত্যাগ করে বিভিন্ন দলীয় সভা-সমাবেশে যথেষ্ঠ অর্থ ব্যয় করেছেন বলে স্থানীরা জানান । তিনি এই কমিটিকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে সংবাদ সম্মেলনে পকেট কমিটি বাতিল করে ত্যাগীদের নিয়ে পুনরায় কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন। সেই সাথে ত্যাগী নেতা- কর্মীদের অবমূল্যায়ন করার বিষয়টি তদন্তপূর্বক দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।