নওগার পত্নীতলায় মহেশপুর নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। পুড়ে গেছে স্কুলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, বলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার মহেশপুর নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। ৬জুলাই সোমবার আনুমানিক ভোর ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সোস্যাল মিডিয়া ও স্থানীয় সূত্রে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ(প্রধান শিক্ষক) জানায়, আগুনে অফিস কক্ষের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, কম্পিউটার, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ মূল্যবান সামগ্রী পুড়ে যায় এবং ঘটনার সময় বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরাও চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং এটি পরিকল্পিত নাশকতা কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবিও জানিয়েছে। ঘটনাটি ইতোমধ্যে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্কুলে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি এমন সময় ঘটলো যখন ঐ স্কুলের চারজন সহঃশিক্ষক আহমদ আউয়াল সুজন(সাধারণ গণিত, ইনডেক্স:৫৬৯০৯০৯০), কাঞ্চনকুমার(কৃষি শিক্ষা,ইনডেক্স:৫৬৯২৯৮৭৬), সেলিম পারভেজ(শরীরচর্চা, পিডিএস:১০১৫৫৬২১৮) এবং বুলবুলি রাণী(কাব্যতীর্থ, পিডিএস:১০১৫১২৮০৩) কে ২০১৫ সালের পর স্কুলে এনে এনটিআরসিএ’র নিবন্ধন ছাড়াই কতিপয় অসাধু স্কুল কর্তৃপক্ষ ২০০২ ও ২০০৪ সালের নিয়োগ দেখায় যার, ব্যাকডেটেের নথিপত্র ব্যবহার করার অভিযোগ তদন্তনাধীন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিরীক্ষণ দপ্তর কর্তৃক। এছাড়াও এই নিয়োগে অনিয়মের বিষয়টি দেশের দু’টি স্বনামধন্য জাতীয় ‘দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার,এ ৩জুন-২০২৬ এবং ‘দৈনিক লাখো কণ্ঠ, পত্রিকায় ৪জুন ২০২৬ ইং তারিখে খবর প্রকাশিত হয়।
অগ্নিসংযোগের বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর সুত্রে জানা যায় যে, স্কুলে নৈশপ্রহরী থাকা অবস্থায় কিভাবে ভোর সকালে আগুন লাগে এবং সিসিটিভি ক্যামেরা চুরি হয়?? এলাকার অনেকের অভিমত, এটা নিছক কোন অগ্নিসংযোগ নয় বরং পরিকল্পিত একটা ঘটনার মতো! প্রতিবেদকের করা প্রশ্নের উত্তরে অনেকের মতামত এমন যে, ব্যাকডেট ব্যবহার করে নিয়োগ দেয়ার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার ফলেই নথিপত্র নাই মর্মে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, যদিও এ ব্যাপারে কোন প্রমাণ দিতে পারেনি তারা। এলাকাবাসীও বিষয়টির সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে খুব দ্রুতই।