‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, ক্ষুদ্র ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক জাকিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশীর সভাপতিত্বে আয়োজিত সভার শুরুতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন ও গ্রামীণ উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচির ওপর একটি প্রামাণ্য ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, “পল্লী উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আত্মনির্ভরশীল গ্রাম গড়ে তোলার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। পল্লী উন্নয়ন হলে দেশও উন্নত হবে।”
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, ব্র্যাকের সমন্বয়কারী মানিক ম্যাক্সিমিলিয়ন, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, উপকারভোগী খাদিজা বেগম এবং শিক্ষার্থী উম্মে হালিমা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক দীপক কুমার সাহা, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, জেলা তথ্য কর্মকর্তা শিল্পী মণ্ডল, টিটিসির অধ্যক্ষ মোছাব্বেরুজ্জামান, জেলা সমবায় কর্মকর্তা কাজী বাবুল হোসেন, সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।
অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগীদের মধ্যে ক্ষুদ্র ঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের চেক, পল্লী উন্নয়ন কিশোরী সংঘের সদস্যদের উৎসাহ বোনাসের চেক এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।