, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীকে জামালপুর গারো হিলস রানার্স কমিউনিটির টি-শার্ট উপহার এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের নামে প্রতারণা, বগুড়ায় কলেজ কর্মচারী গ্রেপ্তার কাউনিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে যুব সেমিনার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশন” কর্তৃক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক পর্যায়ে বিনামূল্যে আমন ধান বীজ বিতরণ রিকশাচালকের ওপর হামলা-ছিনতাই: রাজশাহীতে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার সবার জন্য নিরাপদ আবাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু সহনশীল রাজশাহী গঠন নগর সংলাপ অনুষ্ঠিত বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিভিল সার্জনের আকস্মিক পরিদর্শন দীঘিনালায় মাহিন্দ্র সমিটির ব্যতিত্রুমী উদ্যোগ ৫০টাকায় নির্ধারন হলো মাহিন্দ্র ভারা বাগেরহাট এর মোরেলগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার কামল হোসেনের বিরুদ্ধে সীমাহীন দু’র্নী’তি, অ’বৈধ ক্লিনিক বাণিজ্যের অভি’যোগে মানববন্ধন ছয় পদের চারটিই বছরের পর বছর শূন্য : দীর্ঘদিন জনবল সংকটে ধুঁকছে শার্শা উপজেলা মৎস্য অফিস

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আকন্দবাড়িয়ায় প্রশাসন-জনতার মতবিনিময়

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আকন্দবাড়িয়ায় প্রশাসন-জনতার মতবিনিময়

১৩

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা (ওপেন হাউজ ডে) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ জুলাই আকন্দবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার রুহুল কবির খান। সভাপতিত্ব করেন দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দর্শনা থানা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট, সমন্বয়ক আলহাজ্ব মশিউর রহমান, দর্শনা থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক লিওন, খাজা আবুল হাসানাত, আকন্দবাড়িয়া মাদকবিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য আব্দুল মুন্নাফ মুন্না, সায়েম হোসেন তুষারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার রুহুল কবির খান বলেন, “মাদক তিনটি পরিবারকে ধ্বংস করে—যে মাদক বিক্রি করে, যে মাদক সেবন করে এবং যে সমাজে মাদকের বিস্তার ঘটে।” তিনি মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন, “মাদক ব্যবসায়ীদের স্থান কারাগারে। কোনো মাদক কারবারিকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের কারণে সাধারণ মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না—এমন পরিস্থিতি আমরা হতে দেব না।”

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক আজ আকন্দবাড়িয়ার অন্যতম বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। গ্রামের পরিচিতি ‘মাদকপ্রবণ এলাকা’ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়ছে। অনেক শিক্ষিত ও সম্ভাবনাময় যুবকের ভালো পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব আসছে না, এমনকি মাদকের কারণে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

বক্তারা আরও বলেন, জেলা পুলিশ সুপার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জেলাজুড়ে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

সমাবেশ শেষে মাদকমুক্ত আকন্দবাড়িয়া গড়ে তুলতে এলাকাবাসী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীকে জামালপুর গারো হিলস রানার্স কমিউনিটির টি-শার্ট উপহার

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আকন্দবাড়িয়ায় প্রশাসন-জনতার মতবিনিময়

আপডেট সময় ০৭:২০:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
১৩

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা (ওপেন হাউজ ডে) অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ জুলাই আকন্দবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার রুহুল কবির খান। সভাপতিত্ব করেন দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দর্শনা থানা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট, সমন্বয়ক আলহাজ্ব মশিউর রহমান, দর্শনা থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক লিওন, খাজা আবুল হাসানাত, আকন্দবাড়িয়া মাদকবিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য আব্দুল মুন্নাফ মুন্না, সায়েম হোসেন তুষারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার রুহুল কবির খান বলেন, “মাদক তিনটি পরিবারকে ধ্বংস করে—যে মাদক বিক্রি করে, যে মাদক সেবন করে এবং যে সমাজে মাদকের বিস্তার ঘটে।” তিনি মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন, “মাদক ব্যবসায়ীদের স্থান কারাগারে। কোনো মাদক কারবারিকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের কারণে সাধারণ মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না—এমন পরিস্থিতি আমরা হতে দেব না।”

সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক আজ আকন্দবাড়িয়ার অন্যতম বড় সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। গ্রামের পরিচিতি ‘মাদকপ্রবণ এলাকা’ হিসেবে ছড়িয়ে পড়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়ছে। অনেক শিক্ষিত ও সম্ভাবনাময় যুবকের ভালো পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব আসছে না, এমনকি মাদকের কারণে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

বক্তারা আরও বলেন, জেলা পুলিশ সুপার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জেলায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় জেলাজুড়ে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

সমাবেশ শেষে মাদকমুক্ত আকন্দবাড়িয়া গড়ে তুলতে এলাকাবাসী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।