, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: এমপি জাহান্দার আলী জাহান। টেকনাফে কালবের নির্বাচনে ছয়জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইসলামপুরে সার ব্যবসায়ী হত্যা: বিচার ও ফাঁসির দাবি, গ্রেপ্তার ২ এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার নিখোঁজ তিন রোহিঙ্গা কিশোর স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক চৌদ্দগ্রাম দত্তসার রহমানীয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হোয়াইক্যং চেকপোস্টে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ১২ সাবেক চেয়ারম্যান বাবুর ১৬তম শাহাদাত বার্ষিকী: বড়াইগ্রামে স্মরণসভা ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর-ফরিদপুরের সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রুমার মতবিনিময় সভা

বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, পাল্টা জবাব; মিলল দেড় লাখ ইয়াবা

৪৯

কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ইয়াবা বহনকারী সন্দেহভাজন চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজিবি জানায়, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬৪ বিজিবির হ্নীলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী আনোয়ার প্রজেক্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে চারজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বস্তা হাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবির ওপর গুলি ছোড়ে বলে জানায় বিজিবি। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায় বিজিবি।

তল্লাশির সময় তিনটি বস্তার ভেতর খাকি রঙের প্যাকেটে নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়। গণনা শেষে এসব প্যাকেটে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা রয়েছে বলে নিশ্চিত হয় বিজিবি।

বিজিবির দাবি, ঘটনাস্থলে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও ইয়াবা ছাড়া অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ
০১৮২৯৬৯২৭৩০
২৪-০৯-২০২৬

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা

বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, পাল্টা জবাব; মিলল দেড় লাখ ইয়াবা

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৯

কক্সবাজারের উখিয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় ইয়াবা বহনকারী সন্দেহভাজন চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজিবি জানায়, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬৪ বিজিবির হ্নীলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী আনোয়ার প্রজেক্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে চারজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে বস্তা হাতে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়।

এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ার সময় বিজিবির ওপর গুলি ছোড়ে বলে জানায় বিজিবি। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালায় বিজিবি।

তল্লাশির সময় তিনটি বস্তার ভেতর খাকি রঙের প্যাকেটে নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে রাখা বিপুল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়। গণনা শেষে এসব প্যাকেটে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা রয়েছে বলে নিশ্চিত হয় বিজিবি।

বিজিবির দাবি, ঘটনাস্থলে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও ইয়াবা ছাড়া অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ
০১৮২৯৬৯২৭৩০
২৪-০৯-২০২৬