, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা মাদক সমাজ ও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিচ্ছে: এমপি জাহান্দার আলী জাহান। টেকনাফে কালবের নির্বাচনে ছয়জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ইসলামপুরে সার ব্যবসায়ী হত্যা: বিচার ও ফাঁসির দাবি, গ্রেপ্তার ২ এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার নিখোঁজ তিন রোহিঙ্গা কিশোর স্বামী হত্যার অভিযোগে স্ত্রী আটক চৌদ্দগ্রাম দত্তসার রহমানীয়া মাদ্রাসার বার্ষিক মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হোয়াইক্যং চেকপোস্টে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ১২ সাবেক চেয়ারম্যান বাবুর ১৬তম শাহাদাত বার্ষিকী: বড়াইগ্রামে স্মরণসভা ভাঙ্গুড়া-চাটমোহর-ফরিদপুরের সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি রুমার মতবিনিময় সভা

বাকৃবিতে প্রথমবারের মতো ‘মিট দ্য গভর্নর’, ক্যাশলেস লেনদেনে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ

৪৯

বাকৃবি প্রতিনিধি,

ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ ও ‘বাংলা কিউআর’ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) প্রথমবারের মতো ‘মিট দ্য গভর্নর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেও প্রথমবারের মতো বাকৃবিতে এ আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ‘এক দেশ এক কিউআর, লেনদেন বাংলা কিউআর’ স্লোগানে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেন ও ‘বাংলা কিউআর’ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। গভর্নর এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও দ্রুত ক্যাশলেস ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যাপকভাবে চালু হয়েছে। বাংলাদেশও গভর্নরের রূপরেখা অনুযায়ী দ্রুত ক্যাশলেস সমাজের দিকে এগিয়ে যাবে। বাকৃবি দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে গবেষণায় অনেক দূর এগিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার গতি বজায় রাখতে এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকসহ ব্যাংকিং খাতকে সিএসআর ফান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে আসতে হবে।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে দেশে ক্যাশলেস লেনদেন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে রিকশা ও ছোট দোকানেও যেন সহজে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে লেনদেন করা যায়, সে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের পাশাপাশি বাকৃবির শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা এবং সিএসআর ফান্ডের আওতায় বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলা কিউআর’-এর বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের লেনদেন করা সম্ভব হওয়ায় খুচরা টাকার সমস্যাও থাকবে না। একই সঙ্গে লেনদেনের খরচ কমবে। বর্তমানে দেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের কম, যা একসময় ১০ শতাংশ ছিল। কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়লে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর আদায় সম্ভব হতে পারে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) শূন্য করা হবে। ফলে কোনো গ্রাহক ১০০ টাকা দিলে মার্চেন্টও ১০০ টাকা পাবেন। এ ছাড়া বর্তমানে নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। কিউআর কোড সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এ ব্যয় অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।

হুর-এ- তানহা তামান্না
০১৭৫৩২৩৯৯২০
২৬ সেপ্টেম্বর

জনপ্রিয় সংবাদ
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন- দৈনিক আমার পত্রিকা

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীর সাথে বিএনপির মতবিনিময় সভা

বাকৃবিতে প্রথমবারের মতো ‘মিট দ্য গভর্নর’, ক্যাশলেস লেনদেনে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ

আপডেট সময় ০২:২৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৯

বাকৃবি প্রতিনিধি,

ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণ ও ‘বাংলা কিউআর’ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) প্রথমবারের মতো ‘মিট দ্য গভর্নর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যেও প্রথমবারের মতো বাকৃবিতে এ আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ‘এক দেশ এক কিউআর, লেনদেন বাংলা কিউআর’ স্লোগানে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেন ও ‘বাংলা কিউআর’ নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। গভর্নর এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন।

অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশও দ্রুত ক্যাশলেস ও ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন ব্যাপকভাবে চালু হয়েছে। বাংলাদেশও গভর্নরের রূপরেখা অনুযায়ী দ্রুত ক্যাশলেস সমাজের দিকে এগিয়ে যাবে। বাকৃবি দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে গবেষণায় অনেক দূর এগিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার গতি বজায় রাখতে এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকসহ ব্যাংকিং খাতকে সিএসআর ফান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে আসতে হবে।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এহতেশামুল হক খান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে দেশে ক্যাশলেস লেনদেন আগের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে রিকশা ও ছোট দোকানেও যেন সহজে ‘বাংলা কিউআর’-এর মাধ্যমে লেনদেন করা যায়, সে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপের পাশাপাশি বাকৃবির শিক্ষক ও গবেষকদের গবেষণা এবং সিএসআর ফান্ডের আওতায় বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে ‘বাংলা কিউআর’-এর বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরে গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এবং নগদ অর্থের ব্যবহার কমাতে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থের লেনদেন করা সম্ভব হওয়ায় খুচরা টাকার সমস্যাও থাকবে না। একই সঙ্গে লেনদেনের খরচ কমবে। বর্তমানে দেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত ৭ শতাংশের কম, যা একসময় ১০ শতাংশ ছিল। কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়লে বছরে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত কর আদায় সম্ভব হতে পারে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে কিউআর লেনদেনে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) শূন্য করা হবে। ফলে কোনো গ্রাহক ১০০ টাকা দিলে মার্চেন্টও ১০০ টাকা পাবেন। এ ছাড়া বর্তমানে নোট ছাপানো ও ব্যবস্থাপনায় বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। কিউআর কোড সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এ ব্যয় অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।

হুর-এ- তানহা তামান্না
০১৭৫৩২৩৯৯২০
২৬ সেপ্টেম্বর